তরুণীর দাবি, বয়সের ফারাক যতই হোক না কেন, একজন খারাপ মানুষ জীবনে আসার থেকে সঠিক মানুষকে জীবনসঙ্গী হিসাবে বেছে নেয়াটা জরুরি। আর তাই করেছেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাকিস্তানের এ নবদম্পতিকে নিয়ে বেশ আলোচনা চলেছে।
.png)
পাত্রের নাম, লিয়াকত আলি। পাত্রী শুমাইলা। তাদেরই একটি সাক্ষাৎকার নে ইউটিউবার বাসিত আলি।
সেই সাক্ষাৎকারে শুমাইলা জানান, বয়সের ফারাক দেখে এ সম্পর্কে তার পরিবারও রাজি ছিল না। কিন্তু লিয়াকতের প্রতি তার প্রেমের কাছে পরিবারকে শেষমেশ হার মানতে হয়েছে।
তার কথায়, এক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সম্মান এবং মর্যাদা সব কিছুর উপরে। আর যেখানে সারাজীবনের একটা সম্পর্ক তৈরি হতে চলেছে, সেখানে এ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সবকিছু জেনেবুঝেই এবং লিয়াকতের কাছ থেকে সেই সম্মান এবং মর্যাদা পেয়েছেন বলেই বিয়েতে সায় দিয়েছেন বলে দাবি তরুণীর।
অন্যদিকে লিয়াকত জানান, শরীরে বয়েসের ছাপ পড়লেও মনে তার কোনো প্রভাব পড়েনি।
বয়সের ব্যবধান নিয়ে লিয়াকত বলেন, আইনি দিক থেকে যদি কোনো বাধা না থাকে তাহলে বয়সের ব্যবধান হলেও কে বুড়ো, কে জোয়ান তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার কথাই নয়!