স্থানীয় সময় শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে হামলার ঘটনা ঘটে। সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা’র বরাতে এ তথ্য জানায় কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।
সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার সকাল সাড়ে ৬টায় সিরিয়ার উপকূল ও মধ্যভাগের সামরিক চৌকিতে ভূমধ্যসাগর থেকে এসে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল।
.png)
যুক্তরাজ্যভিত্তিক যুদ্ধ পর্যবেক্ষক দ্য সিরিয়া অবজারভ্যাটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানায়, হোমস ও হামা প্রদেশের ইরানিয়ান গ্রুপের অস্ত্র ও গোলাবারুদের আস্তানায় হামলা চালানো হয়। সংস্থাটি আরো জানায়, লাটাকিয়া প্রদেশে সিরিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা সারিবদ্ধ কামানে হামলাও করেছে ইসরায়েল।
সানা জানায়, সিরিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা পাল্টা আক্রমণ করলে ইসরায়েলের কিছু উপাদান ধ্বংস হয়।
এদিকে, সিরিয়ায় বিমান হামলা চালানোর ঘটনায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর কাছ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কয়েক বছর ধরে সরকার নিয়ন্ত্রিত অংশ লক্ষ্য করে হাজার হাজার হামলা পরিচালনা করছে ইসরায়েল। কিন্তু এসব হামলার কথা খুব কম স্বীকার ও আলোচনায় আনে দেশটি।
এদিকে, লেবাননের হিজবুল্লাহের মতো ইরান সমর্থিত যুদ্ধাদের ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানোর কথা স্বীকার করে ইসরায়েল। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে শক্তিশালী করতে তার বাহিনীতে ইরানের সমর্থিত যোদ্ধারা যোগদান করেন।
সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্যনুযায়ী, গত ১৩ নভেম্বর হোমস প্রদেশের মধ্যভাগে ইসরায়েলের বিমান হামলায় দুই সিরিয়ান সৈন্য নিহত এবং তিনজন আহত হন।
সিরিয়ার পর্যবেক্ষক সংস্থা জানায়, অক্টোবর মাসে সিরিয়ার মধ্যভাগে ইসরায়েলের বিমান হামলায় এক সিরিয়ান সৈন্য ও তিনজন ইরানিয়ান যুদ্ধা নিহত হন।
২০১১ সালে সিরিয়ারতে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে নৃশংসভাবে হামলা চালায় বাশার আল আসাদ নেতৃত্বাধীন সরকার। এর জেরে দেশটিতে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। সেই গৃহযুদ্ধের জেরে দেশটির অর্ধেক জনগণ বাস্তুচ্যুত হন।