রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনা সংক্রমণ ফের বেড়ে যাওয়ায় দেশটির বৃহত্তর শহর গুয়াংজু লকডাউনের আওতায় আনা হয়েছে। অর্থনৈতিক উৎপাদন ও বাণিজ্যিক দিক থেকে দেশটির চতুর্থ বড় শহর গুয়াংজু গুয়াংডং প্রদেশের রাজধানী। এছাড়া চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে করোনায় নতুন করে ২ জনের মৃত্যুর খবর প্রকাশিত হয়েছে। এজন্য বাসিন্দাদের বাড়িতে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
.png)
চীন জিরো কোভিড পলিসি বাস্তবায়নে লকডাউন, কয়েক দফায় করোনা টেস্ট, সীমান্ত নিষেধাজ্ঞাসহ নানা বিধিনিষেধ জারি রেখেছে। সোমবার আবার নতুন করে সতর্কতা জারি করেছে বেইজিং। বাড়ির বাইরে গেলে অবশ্যই করোনা পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার বেইজিংয়ের বেশ কয়েকটি জাদুঘর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কারণ শুধু বেইজিংয়ে রোববার করোনা আক্রান্ত হয় ৯৬২ জন। একদিনের ব্যবধানে সেখানে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৪৩৮ জন।
এ মাসের শুরুতে জিরো কোভিড পলিসির নীতিগুলো কিছুটা হলেও সহজ করা হবে বলে আশাবাদি ছিলেন বিনিয়োগকারীরা। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, করোনার ব্যাপারে আরো সতর্ক হওয়া জরুরি।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম করোনা শনাক্ত হয়। সেখান থেকে বিশ্বে ছড়িয়েছে এ মরণঘাতি ভাইরাস। যদিও করোনার প্রকৃত উৎস কোথায় তা নিয়ে এখনো সংশয় রয়েছে।
২০২০ সালের ১১ মার্চ করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এর আগে একই বছরের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি। এরপর কয়েক বছরে বারবার ধরন বদলে আবারও সংক্রমণের মাত্রা বাড়িয়েছে করোনা।