এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৫ অক্টোবর চাচাতো ভাই রাজুর মোটরসাইকেলে করে স্ত্রী শালুকে মন্দিরে যাওয়ার অনুরোধ করেন স্বামী মহেশ চাঁদ। ভাইয়ের সঙ্গে মন্দিরে যাওয়ার পথে একটি প্রাইভেটকার তাদের মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। এতেই স্ত্রী ঘটনাস্থলে মারা যায় এবং তার চাচাতো ভাই গুরুত্বর আহত হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনাকে সড়ক দুর্ঘটনা বলে চালিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু এ ঘটনায় সন্দেহ প্রকাশ করে স্ত্রীর পরিবারের লোকজন। পরবর্তীতে পুলিশে ঘটনার তদন্তে নেমে এমন লোমহর্ষক তথ্য খুঁজে পায়।
পুলিশ জানায়, স্ত্রীর বিমার টাকা পেতেই এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করে স্বামী।
.png)
পশ্চিম ভারতের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার জানান, ৪০ বছর ধরে ঐ বিমা পরিচালনা করা হচ্ছে। এতে বলা হয়েছে, যদি বীমাকারীর সাধারণ মৃত্যু হয় তাহলে তাকে ১ কোটি রুপি দেওয়া হবে। কিন্তু দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়ে ১ কোটি ৯০ লাখ টাকা দেওয়া হবে। এরপরই স্ত্রীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন স্বাম। স্ত্রীকে হত্যার জন্য হত্যাকারীর সঙ্গে ১০ লাখ রুপি চুক্তি হয়। কাজের আগে সাড়ে পাঁচ লাখ এবং কাজের শেষে বাকি টাকা দেওয়ার চুক্তি হয়।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ২০১৫ সালে বিয়ে হয় শালু ও মহেশের। এ দম্পতির একটি কন্যা সন্তানও রয়েছে। কিন্তু বিয়ের দুই বছর পরই তারা আলাদা থাকতে শুরু করেন। পুলিশ জানায়, স্বামীর নির্যাতনের শিকার হতেন স্ত্রী। এজন্য ২০১৯ সালে স্বামীর বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের মামলা করা হয়।