এ অদ্ভুদ কাজটি করেছেন ডেরমট অ্যালস্টেয়ার মিলস নামে এক আইরিশ। তার করা মামলার নথিপত্রের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, ঘটনার শুরু ২০১৪ সালে। ফিন্যান্স ম্যানেজার হিসেবে তখন অফিসে নিয়মিত কাজ করতেন মিলস। ওই সময় রেলের তহবিলের হিসাব–নিকাশ নিয়ে কিছু গাফিলতির বিষয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন। এর পর থেকেই পরিস্থিতি বদলে যেতে শুরু করে।
মিলসের অভিযোগ, ধীরে ধীরে তার কাজ কমিয়ে দেওয়া হয়। অফিসে এলেও তাকে কাজ দেওয়া হয় না। দিলেও তা এত অল্প যে দ্রুতই শেষ হয়ে যায়। অযথাই বসে থাকতে হয় অফিসে। প্রতিদিন নিয়ম মেনে অফিসে এলেও বেশির ভাগ সময় কাটে সংবাদপত্র পড়ে, খাওয়াদাওয়া কিংবা হাঁটাহাঁটি করে। কখনোবা বস কিংবা সহকর্মীদের কাছ থেকে দাপ্তরিক ই–মেইল এলে সেটার জবাব দেন।
.png)
এসব নিয়ে বারবার বসদের কাছে প্রতিকার চেয়েছেন মিলস। কিন্তু ফল হয়নি। তিনি বলেন, রেলপথ নির্মাণ ও পরিচালনার হিসাব–নিকাশ নিয়ে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। অন্যের গাফিলতির দায় তার কাঁধে চাপানোর চেষ্টা চলছে। এ জন্যই অফিসে বছরের পর বছর তাকে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
আরো পড়ুন>> প্রথমবারের মতো বাহরাইন সফরে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট
এর প্রতিকার না পেয়ে অবশেষে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন মিলস। তার দাবি, অফিসে আগের মতো কাজ করতে দেওয়া হোক তাকে, অযথা অন্যায়ের শিকার যেন না হন। এ জন্য আদালতের সহায়তা চান।
মিলস বলেন, ‘আমি আদতে কোনো কাজ না করেই বছরে ১ লাখ ২৬ হাজার ডলার (প্রায় ১ কোটি ২৯ লাখ টাকা) বেতন পাই। কিন্তু বছরের পর বছর এভাবে চলতে পারে না। আমি স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে চাই, ন্যায়বিচার চাই।’
সূত্র: ডেইলি মেইল