শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) তাকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম পার্স টুডে।
এর আগে ইরানে চলমান বিক্ষোভে এক বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করায় ‘তীব্র নিন্দা’জানায় জার্মান সরকার।
.png)
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা ইরানের অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে বার্লিনের অযাচিত হস্তক্ষেপের তীব্র প্রতিবাদ জানান।
জার্মান রাষ্ট্রদূতকে তলব করে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, সন্ত্রাসবাদ, দাঙ্গা ও নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের প্রতিহত করতে ইরানের সরকার দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী যেসব ব্যবস্থা নিচ্ছে সে ব্যাপারে জার্মান সরকার দ্বৈত নীতি গ্রহণ করেছে।
তারা বলেন, জার্মান সরকার যখন নিজ দেশের নিরাপত্তাকে রেড লাইন হিসেবে গ্রহণ করে সেদেশের দাঙ্গা সৃষ্টিকারীদের দমন করছে তখন ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কথা বলার অধিকার তার নেই।
আরো পড়ুন>> সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে এ বছর বিশ্বে ৬৭ সাংবাদিক নিহত, আটক ৩৭৫
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জার্মান রাষ্ট্রদূতকে আরো বলেন, অতীতে ইরানি জনগণের সঙ্গে জার্মান সরকারের ‘বেদনাদায়ক আচরণের’ কথাও তেহরান ভুলে যায়নি।
জার্মানি ১৯৮০’র দশকে ইরানের বিরুদ্ধে আট বছরব্যাপী যুদ্ধে ইরাকের তৎকালীন সাদ্দাম সরকারের হাতে রাসায়নিক অস্ত্র তুলে দিয়েছিল। ওই অস্ত্রের আঘাতে ইরানের হাজার হাজার নিরপরাধ মানুষ হতাহত হন। এছাড়া, ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে মার্কিন সরকার বর্তমানে যে অবৈধ ও নিপীড়নমূলক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রেখেছে তাতেও সহযোগিতা করেছে জার্মানি।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে জার্মান রাষ্ট্রদূত তেহরানের প্রতিবাদের কথা বার্লিনের কাছে পৌঁছে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।