ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

খেতাব হারালেন ইলন মাস্ক, শীর্ষ ধনী কে এই বার্নার্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৩৩, ১৪ ডিসেম্বর ২০২২
খেতাব হারালেন ইলন মাস্ক, শীর্ষ ধনী কে এই বার্নার্ড
ইলন মাস্ক- ফাইল ফটো

ইলন মাস্কের নাম শুনলেই বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের বক্তির কথা মনে হয়। কিন্তু বিশ্বের শীর্ষ ধনীর নামের তালিকা থেকে সরে গেছেন ইলন মাস্ক। টেসলার শেয়ারের ব্যাপক দরপতনের পর এ শীর্ষ স্থান হারান তিনি।

ফোর্বস ও ব্লুমবার্গের তথ্যানুযায়ী, মাস্ককে সরিয়ে বিশ্বের সেরা ধনীর জায়গা দখল করেছেন বিলাসী পণ্য বিক্রেতা এলভিএমএইচ গ্রুপের প্রধান নির্বাহী ও ফরাসি ব্যবসায়ী বার্নার্ড আর্নল্ট।

প্রায় চার দশকের চেষ্টার ফলে বিলাসবহুল পণ্য সাম্রাজ্যের একচ্ছত্র অধিপতি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন ৭৩ বছর বয়সী এ ফরাসি ব্যবসায়ী। তিনি ব্যবসায়িক গ্রুপ ‘মোয়েত হেনেসি-লুই ভুটন’ বা এলভিএমএইচের প্রধান নির্বাহী।

Advertisement

এলভিএমএইচ গ্রুপের প্রধান নির্বাহী ও ফরাসি ব্যবসায়ী বার্নার্ড আর্নল্ট- ফাইল ফটো

ফ্যাশন, জুয়েলারি, অ্যালকোহলের বাজারে বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে পরিচিত কিছু বিলাসবহুল ব্র্যান্ডের মালিক এলভিএমএইচ। এগুলোর মধ্যে রয়েছে- লুই ভুটন, ট্যাগ হিউর, সেফোরা, ডম পেরিগনন, ক্রিশ্চিয়ান ডিওর, ফেন্ডি, গিভেঞ্চি, মার্ক জ্যাকবস, স্টেলা ম্যাককার্টনি, লোওয়ে, লোরো পিয়ানা, কেনজো, সেলিন, সেফোরা, প্রিন্সেস ইয়টস, বুলগারি, টিফানি অ্যান্ড কোং প্রভৃতি।

ফোর্বসের তথ্যানুযায়ী, মাস্কের সম্পদের পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছে ১৭৮ বিলিয়ন ডলারে। অন্যদিকে, বার্নার্ড আর্নল্টের সম্পদের পরিমাণ এখন ১৮৮ বিলিয়ন ডলার।

বছরখানেক আগেও ইলন মাস্কের ধন-সম্পদ দেখে কল্পনা করা যেতো না, এত দ্রুত শীর্ষ ধনীর আসন হারাবেন তিনি। কারণ প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় তখন যোজন-যোজন এগিয়ে ছিলেন এ মার্কিন ধনকুবের। তিনিই এখন আর্নল্টের চেয়ে ১০ বিলিয়ন ডলার পেছনে।

এর আগে, বেশ কয়েক মাসের আইন প্রক্রিয়ার পর গত মাসেই টুইটারের মালিকানা বুঝে নেন মাস্ক। সেখানে তিনি বিনিয়োগ করেন ৪৪ বিলিয়ন ডলার।

অনেকে মনে করছেন, টুইটার নিয়ে উদ্ভূত ঝামেলার প্রভাবে টেসলার ব্যাপক দরপতন হয়েছে। এর ফলে সম্পদ মূল্য কমেছে মাস্কেরও। মাস্ক নিজে টুইটারের ১৪ শতাংশ শেয়ারের মালিক।

একদিকে টুইটার কিনতে গিয়ে টেসলার কয়েক বিলিয়ন ডলারের শেয়ার বিক্রি করেছেন মাস্ক। অন্যদিকে, অর্থনৈতিক দুরাবস্থার কারণে টেসলার গাড়ি বিক্রি আরো কমে আসার আশঙ্কা করছেন বিনিয়োগকারীরা। এ দুটি বিষয় প্রভাব ফেলেছে টেসলার দরপতনে। অন্যদিকে কয়েকটি দুর্ঘটনার পর বাজার থেকে টেসলার গাড়ি তুলে নেয়া, সরকারি তদন্তের মুখে পড়াও টেসলার দরপতনের অন্যতম কারণ।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকেএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!