রোববার (৮ জানুয়ারি) উত্তর আমেরিকান নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে মেক্সিকোর রাজধানী মেক্সিকো সিটির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এর এক ফাঁকে তিনি টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের এল পাসো সিটিতে যাত্রাবিরতী নেন ও সীমান্ত পরিদর্শনে যান।
পরে এল পাসো এবং সিউদাদ জুয়ারেসের সীমান্ত বরাবর লম্বা বেড়ার একটি অংশও পরিদর্শন করে দেখেন তিনি।
.png)
এদিকে সীমান্তে অভিবাসীর সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের জনস্বাস্থ্য আইন বহাল রয়েছে; যা কর্তৃপক্ষকে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় চাওয়া অনেক লোককে ফিরিয়ে দেওয়ার অনুমতি দেয়।
এর আগে রিপাবলিকান নেতারা, সীমান্ত নিরাপত্তায় অকার্যকর নীতিগুলির জন্য প্রেসিডেন্টের সমালোচনা করেছেন। এমনকি তারা সেখানে বাইডেনের ভ্রমণ না করা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
আরো পড়ুন>> পশ্চিমা অস্ত্রে দুর্ভোগ আরো বাড়বে বলে হুঁশিয়ারি ক্রেমলিনের
এই পরিদর্শনের খবর বের হতেই প্রশংসা কুড়াতে শুরু করেছেন বাইডেন। সাউথ ক্যারোলিনার রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম, যিনি এ ব্যাপারে সব চেয়ে বেশি সমালোচনা করেছিলেন; সেই তিনি এর আগে টুইট করে জানিয়েছেন, আমি আনন্দিত যে প্রেসিডেন্ট বাইডেন অবশেষে আমাদের দক্ষিণ সীমান্ত পরিদর্শন করবেন (এরই মধ্যে তিনি পরিদর্শন করেছেন); যা বাণিজ্যিক জোট, চোরাচালানকারী এবং মানব পাচারকারীদের কাছে পুরোপুরি চলে গেছে।
রিপাবলিকানদের সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে যেসব অভিযোগ রয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে মেক্সিকো হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আসা ফেন্টানিলের পরিমাণ। দ্বিদলীয় ফেডারেল কমিশনের ২০২২ সালের একটি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ফেন্টানিল এবং অনুরূপ ওষুধগুলি মূলত চীন থেকে প্রেরিত রাসায়নিক থেকে মেক্সিকোর ল্যাবগুলোতে তৈরি করা হচ্ছে।
ফেন্টানিল এবং অন্যান্য ল্যাব-উত্পাদিত সিন্থেটিক মাদকদ্রব্যগুলোর কারণে অতিরিক্ত মাদকের সংকট যুক্তরাষ্ট্র আগে কখনো দেখেনি। তবে মাদক নিয়ন্ত্রণের যারা পক্ষে এবং বিশেষজ্ঞরা বলছেন- কঠোর সীমান্ত সুরক্ষার উপর মাদক বিরোধী যে নীতি নির্ভর করে, তা সম্ভবত ফলপ্রসূ নাও হতে পারে। স্বল্প পরিমাণে পাচার হলে তা বের করা কঠিন হতে পারে।
সূত্র: আল-জাজিরা