শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ভারতের গাজিয়াবাদের আর্যনগর এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।
খুন হওয়া ওই নারীর নাম বংশীকা (২২)। ২০২০ সালে ১০ বছরের বড় নরেশের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু গত দেড় বছর ধরে তারা আলাদা থাকছিলেন।
.png)
পুলিশ জানিয়েছে, নরেশের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক আছে বলে সন্দেহ করতেন বংশীকা। তার জেরেই রেগে বাপের বাড়ি চলে গিয়েছিলেন। দীর্ঘ দিন ধরে স্ত্রীকে ফেরানোর চেষ্টা করছিলেন নরেশ।
শুক্রবারও একই আর্জি নিয়ে স্ত্রীর বাপের বাড়ি গিয়েছিলেন অভিযুক্ত। কিন্তু বংশীকা স্বামীর সংসারে ফিরতে রাজি হননি। তাতেই মেজাজ হারান নরেশ। তিনি টেবিলের উপর রাখা কাঁচি নিয়ে স্ত্রীকে আক্রমণ করেন। এলোপাথাড়ি কোপ মারেন স্ত্রীর শরীরের বিভিন্ন অংশে। তার চিৎকার শুনে পরিবারের অন্য সদস্যেরা ছুটে আসেন।
আরো পড়ুন>> বিবিসি’র বিরুদ্ধে কর অনিয়মের অভিযোগ আনল ভারত
স্ত্রীকে মেরে পালিয়ে যান নরেশ। বংশীকাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তার গলা, বুকের নানা অংশ কাঁচির আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়েছিল। মৃতের মা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে শুরু হয় তদন্ত।
ওই দিন রাতেই নরেশকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযোগ, স্ত্রীকে কাঁচি দিয়ে অন্তত ৮ থেকে ১০ বার কুপিয়েছিলেন তিনি। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
পুলিশকে অভিযুক্ত জানিয়েছেন, স্ত্রীকে খুনের পরিকল্পনা তার ছিল না। বুঝিয়ে বাড়ি ফিরিয়ে আনতেই গিয়েছিলেন। রাগের মাথায় স্ত্রীকে কাঁচি দিয়ে আক্রমণ করে বসেন তিনি।
সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া, আনন্দবাজার