রোববার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিবিসির হিন্দি সংস্করণের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক নিবন্ধে এ অভিযোগ করা হয়।
বলা হয়েছে, তল্লাশি চলাকালে কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে দুর্বব্যহার করা হয়। অনেককে খবর লিখতে বাধা দেওয়া হয়।
.png)
দিল্লি ও মুম্বাইয়ে বিবিসির অফিসে গত সপ্তাহে টানা তিন দিন আয়কর কর্মকর্তারা তল্লাশি চালান। কেন্দ্রীয় ওই সংস্থার বয়ানে অবশ্য ওই অভিযান ছিল নিয়মমাফিক ‘আয়কর জরিপ’। সেই অভিযান শেষ হলে আয়কর বিভাগের বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, আয়কর জরিপের কাজ তারা এমনভাবে করেছেন, যাতে সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি না হয়।
আরো পড়ুন>> ৭ হাজার নতুন দ্বীপের সন্ধান পেল জাপান
আয়কর বিভাগের বিবৃতিতে অবশ্য বিবিসির নাম উচ্চারণ করা হয়নি। বিবিসির অভিযোগ যদিও বুঝিয়ে দিল, তাদের অভিমতের সঙ্গে আয়কর বিভাগের বিবৃতি সংগতিপূর্ণ নয়।
বিবিসির ওই লেখাতে বলা হয়েছে, তাদের সাংবাদিকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাজ করতে দেওয়া হয়নি। আয়কর বিভাগের কেউ কেউ ও কয়েকজন পুলিশ কর্মী দুর্ব্যবহার করেছেন।
সর্বপ্রিয় সাঙ্গোয়ান নামে এক হিন্দি সাংবাদিক বলেন, কর্মকর্তারা তাদের ফোন কেড়ে নিয়েছিলেন। কম্পিউটার ঘেঁটেছেন। বলা হয়েছে, ওই তল্লাশি অভিযান নিয়ে কিছু লেখা যাবে না।
বিবিসির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, বিভাগীয় সম্পাদকেরা বারবার অনুরোধ করেছিলেন তাদের পেশাগত কাজ করতে দেওয়া হোক, কিন্তু আয়কর বিভাগের আধিকারিকেরা তা কানে তোলেননি। হিন্দি ও ইংরেজি বিভাগের সাংবাদিকদের কাজ করতে দেওয়া হয়নি। তাদের ছাড় দেওয়া হয়েছে একমাত্র সম্প্রচারের সময়।
আরো পড়ুন>> আকস্মিক সফরে ইউক্রেনে প্রেসিডেন্ট বাইডেন
বিবিসির দিল্লি ও মুম্বাই অফিসে আয়কর বিভাগের ‘আয়কর জরিপ’ চলেছিল টানা ৬০ ঘণ্টা। তারপর এক বিবৃতিতে তারা বিবিসির কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আয় ও লাভ সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে অভিযোগ করেছিল।
বিজেপি ও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, তাদের তৈরি ‘ইন্ডিয়া: দ্য মোদি কোশ্চেন’ নামের দুই পর্বের তথ্যচিত্র ভারতবিরোধী অপপ্রচার। ভারতের গণতন্ত্রের প্রতি আক্রমণ। ওই তথ্যচিত্রে তাদের ঔপনিবেশিক মানসিকতার প্রতিফলন ঘটেছে। যদিও ওই তথ্যচিত্রের সঙ্গে আয়কর বিভাগের তল্লাশির কোনো সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করা হয়।