মিয়ানমারের বর্তমান সরকারের ওপর চাপ বৃদ্ধি করতে এ পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন। ২০২১ সালে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী।
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, তারা মিয়ানমারের সেনাবাহিনী সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তি ও ছয়টি প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এইসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে জঙ্গিবিমানের জ্বালানি সরবরাহ করা এবং তা আমদানি ও মজুত করতে সহায়তা করে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর বিমান ও বোমা হামলা চালাতে সক্ষম করে তুলেছে বলে অভিযোগ করেছে মার্কিন অর্থমন্ত্রণালয়।
.png)
মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতা দখলের পর থেকে দেশটিতে অনেক সঙ্কট চলছে। দেশটিতে নির্বিচারে চলছে গুম, খুন ও হত্যাকান্ডের মতো বিভিন্ন অমানবিক অত্যাচার।
আরো পড়ুন>> হঠাৎ উত্তাল ফ্রান্স: ম্যাক্রোঁবিরোধী বিক্ষোভে গ্রেফতার ৪৫৭
সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করছে বিক্ষোভকারীরা। রক্তক্ষয়ী আন্দোলন, সংঘাত, অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভ চলছেই। বিক্ষোভে ব্যাপক দমন-পীড়ন চালানো হচ্ছে। গঠিত হয়েছে জান্তাবিরোধী সরকার এবং প্রতিরোধ বাহিনী।
দেশটির সামরিক শাসকরা নিজেদের জনগণের ওপরই দুর্ভোগ, যন্ত্রণা আপতিত করছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি ব্রায়ান নেলসন।
মিয়ানমারের পুরোনো নাম উচ্চারন করে তিনি বলেন, বার্মার জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতিতে যুক্তরাষ্ট্র অটল। মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী নৃশংসতা চালানোর জন্য যেসব উপাদান ব্যবহার করে সেগুলো তাদের হাতে যাওয়া ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করে যাবে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন জান্তা সরকার।
সূত্র: এএফপি