শুক্রবার (২৪ মার্চ) রাতে বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, উন্নয়নকে হুমকির মুখে ফেলছে পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন সংকট। অনিরাপদ পানির প্রভাব ঠেকাতে প্রতিবছর বৈশ্বিক ব্যয় ৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
.png)
সংস্থাটি জানায়, জলবায়ু পরিবর্তন এবং ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে খরা ও বন্যা পানির সমস্যাকে আরো কঠিন করে তুলেছে। বর্তমানে জরুরিভাবে এ সমস্যা নিরসন করতে হবে। আর এ জন্য বিশ্ববাসীকে এক ও সচেতন হতে হবে।
আরো পড়ুন>> ইউক্রেনে আরো ৪ লাখ সেনা মোতায়েন করবে রাশিয়া: ব্লুমবার্গ
বিশ্বব্যাংক জানায়, ইয়েমেনের অগণিত গ্রামে মৌলিক পরিষেবার অভাব রয়েছে, তবে সেখানে নিরাপদ পানির অভাব সব থেকে বেশি। দেশটির জনসংখ্যার ৫৫ শতাংশের বেশি প্রায় ১৮ মিলিয়ন মানুষ নিরাপদ পানি এবং স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশনের অভাবে রয়েছে। ইয়েমেনের আল-আদন, আল-আনিন এবং হাওফ- এই তিন গ্রামে পানির অভাব নিরসনে কাজ করছে বিশ্বব্যাংক। কীভাবে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করা যায় সেই বিষয়ে অর্থায়ন করেছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশনের অভাব মানবজাতিকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে পারে। ২০১৯ সালে ডায়রিয়াজনিত রোগ ছিল মৃত্যুর অষ্টম কারণ। অভিযোগ উঠছে, ২০১৯ সালে সারা বিশ্বে নিরাপদ পানি ও নিরাপদ স্যানিটেশনের অভাবে ১৫ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। বিশেষ করে নারী ও স্কুলপড়ুয়া মেয়ে শিশুদের ওপর বেশি প্রভাব পড়ে।
বিশ্বব্যাংকের দেওয়া তথ্যানুসারে, সুপেয় পানির জন্য এক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করলে রিটার্ন আসে তিন বিলিয়ন ডলার। গ্রামীণ এলাকায় পানির জন্য বিনিয়োগ করলে আরও বেশি রিটার্ন পাওয়া যায়। কৃষিকাজের জন্য একমাত্র অপরিহার্য হচ্ছে পানি। তাই এই সমস্যার সমাধানে ব্যাপক বিনিয়োগ করবে বিশ্বব্যাংক।
সূত্র: আল-জাজিরা