সাম্প্রতিক সময়ে চীনের আগ্রাসী অবস্থান নিয়ে উদ্বিগ্ন ওয়াশিংটন। বিশ্লেষকরা বলছেন, ক্রমবর্ধমান লড়াইয়ের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে নিজেদের উপস্থিতি নিশ্চিত করছে। চীনের উপর নিয়ন্ত্রণের জন্য এই চুক্তি করে যুক্তরাষ্ট্র। এই চুক্তির ফলে এখন সবদিক থেকেই চীনের উপর নজরদারি করতে পারবে যুক্তরাষ্ট্র।
এই চুক্তির ফলে চীনের সাথে তাইওয়ানের চলমান উত্তেজনা আরো বৃদ্ধি পাবে। ফিলিপাইনের চারটি ঘাঁটির মধ্যে তিনটির অবস্থানই তাইওয়ানের কাছাকাছি। ফিলিপাইনের মূল দ্বীপ লুজনে ও একটি দক্ষিণ চীন সাগরের পালাওয়ান প্রদেশে। এগুলো হল- পালাওয়ানের বালাবাক দ্বীপের সান্তা আনা, কাগায়ান প্রদেশের নৌ ঘাঁটি ক্যামিলো ওসিয়াস, লাল-লো বিমানবন্দর ও ক্যাম্প মেলচোর ডেলা ক্রুজ।
.png)
এর মধ্যে নৌ ঘাঁটি ক্যামিলো ওসিয়াস তাইওয়ানের তৃতীয় বৃহত্তম শহর কাওশিউং থেকে মাত্র ৫০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
আরো পড়ুন>> সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইরানের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ
দক্ষিণ চীন সাগরে চীনা স্থাপনার কাছাকাছি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বালাবাক দ্বীপসহ সমগ্র ফিলিপাইনে মোট নয়টি ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক প্রবেশের অনুমতি পাবে। ২০১৪ সালের অ্যানহ্যান্সড ডিফেন্স কো-অপারেশন অ্যারেঞ্জমেন্ট (ইডিসিএ) চুক্তির অধীনে এ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।
চলতি বছরের শুরুতে ফিলিপাইনের পূর্বে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন দ্বীপ গুয়ামে একটি নতুন ঘাঁটি খুলেছে ইউএস মেরিন কর্পস। ক্যাম্প ব্লাজ নামে পরিচিত স্থানটি ৭০ বছরের মধ্যে প্রথম নতুন কোনো মেরিন ঘাঁটি। এখানে স্বাভাবিকভাবেই পাঁচ হাজার মেরিন সেনা অবস্থান নিতে পারে।
ফিলিপাইনে সম্প্রসারিত প্রবেশাধিকারের খবর গত ফেব্রুয়ারির শুরুতে ঘোষণা করা হয়েছিল, কিন্তু এতদিন ঘাঁটিগুলোর অবস্থান জানা ছিল না। প্রতিবেদনে ঘাঁটিগুলোর অবস্থান জানার পর চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা