গত কয়েক মাস ধরে রাশিয়া পূর্ব ইউক্রেনের বাখমুট শহরের নিয়ন্ত্রণ নিতে সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে। এখনও সেই লড়াইয়ে জয়-পরাজয়ের নির্ধারণ হয়নি। তবে রুশরা এখন তাদের লক্ষ্যের কাছাকাছি।
ইউক্রেনের গ্রাড রকেটের মজুদ প্রায় শেষের দিকে। তাদেরকে এখন অন্য দেশ থেকে আসা রকেটের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
.png)
ইউক্রেন সেনাবাহিনীর একজন সদস্য ভলোদোমি। তিনি বলেন, চেক বিপাবলিক, রোমানিয়া এবং পাকিস্তান থেকে যেগুলো আসছে সেগুলোর মান ভালো নয়।
আরো পড়ুন>> বিষ প্রয়োগ করে ১২ ব্যক্তিকে হত্যা, থাই নারী গ্রেফতার
যদিও বাইরে থেকে ট্যাংক ও সাঁজোয়া যানসহ অনেক আধুনিক অস্ত্র আসছে, তবে ইউক্রেন এখনও সোভিয়েত জমানার অস্ত্র-গোলা-বারুদের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল ।
তাদের কাছে এমনকি রাশিয়ার তৈরি বুক বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে - যা দিয়ে বিমান, ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ধ্বংস করা যায়। এই বুক বিমান বিধ্বংসী অস্ত্র থাকার কারণে রাশিয়া এখনও ইউক্রেনের আকাশের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেনি।
বুক ইউনিটের কম্যান্ডার জোসেফ বললেন, এই অস্ত্রকে ধ্বংস করে দেওয়া এখন রুশদের এক নম্বর টার্গেট। ফলে এটি রক্ষায় তারা সর্বোচ্চ সাবধানতা অবলম্বন করছেন। লম্বা একটি ট্রাকের ওপর বসানো বুকের রাডারটিকে একটি গর্তের ভেতর ঢুকিয়ে ডালপালা এবং জাল দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। গাড়ির ওপরে দুটো ধুসর রংয়ের ক্ষেপণাস্ত্র ফিট করা।
আরো পড়ুন>> টেলিগ্রাম অ্যাপ নিষিদ্ধ করল ব্রাজিল
কম্যান্ডার সেরহির আশংকা পাঁচ-দশ বছর এই যুদ্ধ চললে তা সামাল দেওয়ার ক্ষমতা ইউক্রেনের থাকবে না।
এ মাসের প্রথম দিকে ফাঁস হওয়া মার্কিন গোপন নথিতে ইউক্রেন যুদ্ধের ওপর বিস্তারিত গোয়েন্দা তথ্য এবং বিশ্লেষণ রয়েছে। ইউক্রেনের বুক ক্ষেপণাস্ত্রের চরম ঘাটতির কথা রয়েছে মার্কিন ওই নথিতে।
বাখমুটের অন্য একটি অংশে রুশ সৈন্যদের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর একটি ইউনিট দিনে শত শত রাউন্ড গোলা ছুড়ছে। তারা পশ্চিমাদের দেওয়া কিছু অস্ত্রও ব্যবহার করছে সেখানে।
সূত্র: বিবিসি