ঢাকা,  সোমবার   ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

[ আন্তর্জাতিক ]

২২ বছর কোমায় থাকার পর নারীর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১:০৩, ২ জুন ২০২৩
২২ বছর কোমায় থাকার পর নারীর মৃত্যু
স্বামী ও কন্যার সঙ্গে চানা নাচেনবার্গ - ফাইল ছবি

দীর্ঘ ২২ বছর ধরে কোমায় থেকে মারা গেছেন মার্কিন-ইসরায়েলি একজন নারী। জেরুজালেমের একটি পিৎজা রেস্তোরাঁয় এক ফিলিস্তিনির আত্মঘাতী বোমা হামলায় আহত হয়ে কোমায় ছিলেন চানা নাচেনবার্গ নামের ওই নারী।

সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, ব্যারো পিজেরিয়ায় হামলার সময় চানা নাচেনবার্গের বয়স ছিল ৩১ বছর। ওই সময় সাত শিশু এবং একজন গর্ভবতী নারীসহ মোট ১৫ জন নিহত হয়েছিলেন।

ওই হামলার সঙ্গে জড়িত থাকায় আহলাম তামিমি নামের এক নারীকে ২০০৪ সালে ১৬ বছরের কারাদণ্ড দেয় ইসরায়েলের একটি আদালত। ২০১১ সালে একটি চুক্তির অংশ হিসেবে মুক্তি পান তিনি। ভয়াবহ ওই হামলার জন্য তিনি অনুতপ্ত নন বরং গর্বিত বলে জানিয়েছেন তামিমি নিজেই।

আরো পড়ুন>> ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্টের কারাদণ্ড

এদিকে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই-এর মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসীর তালিকায় তামিমির নাম রয়েছে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দাবি, ২০০১ সালের ৯ আগস্ট ওই রেস্টুরেন্টে প্রবেশ করেন তামিমি এবং মাসরি। তামিমি প্রথমে হামলার টার্গেট নির্ধারণ করেন এবং সেখান থেকে বেরিয়ে যান।

২০০১ সালের আগস্টে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনায় চানা নাচেনবার্গকে দিয়ে তিনজন মার্কিন নাগরিকের প্রাণহানি ঘটল। ওই হামলায় নিজের ভূমিকার জন্য ইসরায়েলের আদালতে হত্যা মামলায় দোষী তামিমিকে জর্দানের কাছ থেকে হস্তান্তর চাইছে যুক্তরাষ্ট্র। কারণ তিনি এখন জর্ডানেই স্থায়ীভাবে বসবাস করেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/মাহাদী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!