ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

নিখোঁজ ডুবোযানের সন্ধানে যুক্ত হলো রোবট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭:৫৯, ২২ জুন ২০২৩
নিখোঁজ ডুবোযানের সন্ধানে যুক্ত হলো রোবট
ছবি: সংগৃহীত

আটলান্টিক মহাসাগরের অতল গভীরে নিখোঁজ সাবমেরিন টাইটানের অনুসন্ধান অভিযানে জাহাজ, ডুবোজাহাজ ও বিমানের পাশাপাশি এবার যুক্ত হয়েছে ৩টি রোবটচালিত জলযানও। এই তিনটির মধ্যে দু’টি গভীর সমুদ্রের তলদেশে অনুসন্ধান তৎপরতা চালাতে বিশেষভাবে দক্ষ।

নিখোঁজ এই ডুবোজাহাজের খোঁজে ব্যাপক তল্লাশি ও উদ্ধার প্রচেষ্টা বুধবার শেষ রাতের দিকে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। কারণ টাইটানে থাকা পাঁচ যাত্রীর অক্সিজেন সরবরাহ শেষ হওয়ার বাকি রয়েছে মাত্র কয়েক ঘণ্টা।

গভীর সমুদ্রের তলদেশে অনুসন্ধান চালানোর সক্ষমতাসম্পন্ন রোবটচালিত জলযানগুলোর নাম রিমোটলি অপারেটেড ভেহিকেল বা সংক্ষেপে ‘রোভ’। কানাডীয় কোস্টগার্ড বাহিনী জলযান দু’টিকে নিয়োগ করেছে টাইটানের অনুসন্ধান তৎপরতায়। কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের কোস্টগার্ড বাহিনী যৌথভাবে এই রোভ দু’টি পরিচালনা করছে। এখন পর্যন্ত অবশ্য আশা জাগানোর মতো কোনো ফলাফল জানাতে পারেনি রোভ, তবে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের কোস্টগার্ড বাহিনী দু’টি রোভের গতিবিধি সংক্রান্ত তথ্যে সর্বক্ষণ নজর রাখছে।

Advertisement

তবে মার্কিন কোস্ট গার্ডের কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলেছেন, তারা এখনো আশাবাদী। উদ্ধারকারী প্রচুর সরঞ্জাম ও অনেক বিশেষজ্ঞ এই অভিযানে যোগ দিচ্ছেন। অত্যাধুনিক সোনার সিস্টেমে সমুদ্রের তলদেশে শব্দ শনাক্ত হয়েছে। তবে টাইটানকে শনাক্ত এবং এর যাত্রীদের জীবিত উদ্ধারের চ্যালেঞ্জ ক্রমান্বয়ে প্রবল আকার ধারণ করেছে।

গত রোববার আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে থাকা টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখাতে পর্যটকদের নিয়ে রওনা দিয়ে নিখোঁজ হয় ‘টাইটান’ নামের সাবমেরিনটি।

১৯১২ সালে পর্যটকবাহী জাহাজ টাইটানিক ডুবে যায়। যার ধ্বংসাবশেষ রয়েছে উত্তর আটলান্টিকের তলদেশে। যেটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৩ হাজার ১২৩ ফুট গভীরে পড়ে আছে। সেটি দেখতে মার্কিন কোম্পানি ওশানগেটের সাবমেরিন টাইটানে চেপে রোববার কানাডার নিউফাউন্ডল্যান্ড প্রদেশের সেন্টজন শহর থেকে রওনা হন ওই পাঁচ পর্যটক। এই অভিযানে যাওয়ার জন্য প্রত্যেক অভিযাত্রীর মাথাপিছু খরচ হয়েছে আড়াই লাখ ডলার।

সূত্র: স্কাই নিউজ

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএএইচ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!