ঢাকা,  বুধবার   ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

গ্রেটা থুনর্বাগকে আদালতের জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬:২৫, ২৫ জুলাই ২০২৩
গ্রেটা থুনর্বাগকে আদালতের জরিমানা
গ্রেটা থুনর্বাগ - ফাইল ছবি

‘পুলিশের নির্দেশ অমান্য করে’ বিক্ষোভ করায় সুইডেনের পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনর্বাগকে দোষীসাব্যস্ত করে আড়াই হাজার সুইডিশ ক্রোন জরিমানা করেছে আদালত।

সোমবার (২৪ জুলাই) থুনবার্গ দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মালমোর একটি আদালতে হাজির হন। মামলার শুনানি শেষে আদালত তাকে জরিমানা করেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি

প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত মাসে গ্রেটার নেতৃত্বে তরুণ একদল পরিবেশকর্মী মালমো নগরের বন্দর অবরুদ্ধ করেছিলেন। এ ঘটনায় করা মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০ বছর বয়সী গ্রেটার নেতৃত্বে বিক্ষোভের সময় ওই এলাকায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। পুলিশ নির্দেশ দিলেও বিক্ষোভকারীরা ওই এলাকা ছাড়তে অস্বীকৃতি জানান।

Advertisement

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে গ্রেটা আদালতকে বলেন, ‘এটা ঠিক যে সেদিন আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম। এটাও ঠিক যে আমাকে একটি নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল কিন্ত আমি তা অমান্য করি। কিন্ত আমি কোনো অপরাধ করেছি, এটা মনে করি না। কারণ, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সংকটের কারণে এমন কর্মসূচি পালনের প্রয়োজনীয়তা ছিল।’

কিশোর বয়স থেকেই জলবায়ু আন্দোলন নিয়ে কাজ করে আসা থুনর্বাগ ওই বিক্ষোভ-সমাবেশটির আয়োজন করেছিল পরিবেশ নিয়ে কাজ করা গ্রুপ ‘টা টিলবাকা ফ্রামটিডেন’ (ভবিষ্যত পুনরুদ্ধার করুন)।

ওই সময় ইন্সটাগ্রামে এক পোস্টে থুনবার্গ লেখেন, ‘‘জলবায়ু সংকট এরইমধ্যে অগণিত মানুষের জীবন-মরণের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

‘‘আমরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে এসব দেখবো না বরং নিজেরাই জীবাশ্ম জ্বালানির অবকাঠামোগুলো বন্ধ করব।”

গ্রুপটির পক্ষ থেকে বলা হয়, “যদি আদালত আমাদের কাজ কে আপরাধ বলে গণ্য করে, তবে সেটা করতেই পারে। কিন্তু আমরা জানি আমাদের বেঁচে থাকার অধিকার আছে এবং জীবাশ্ম জ্বালানি শিল্প সে পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।"

একই কারণে থুনবার্গের সঙ্গে আরো দুই বিক্ষোভকারীকেও আদালতে তলব করা হয়।

যেসব কারণে জলবায়ুতে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নির্গমন বেড়ে যাচ্ছে তার অন্যতম হল, জীবাশ্ম জ্বালানি। প্রাক শিল্পযুগের তুলনায় বিশ্বের গড় তাপমাত্রা বর্তমানে ১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে গেছে।

বিশ্বজুড়ে পরিবেশকর্মীরা তাই জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বন্ধে আন্দোলন করে যাচ্ছে। ওদিকে, অধিকাংশ তেল ও গ্যাস উৎপাদনকারী কোম্পানি বলছে, তারা কেবলমাত্র বৈশ্বিক চাহিদা পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় তেল ও গ্যাস উৎপাদন করছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/মাহাদী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!