ইতালি প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, একদল জার্মান পর্যটক সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার জন্য ভিডিও তুলতে উত্তর ইতালির একটি ভিলায় এসেছিল। ভিলায় মহামূল্যবান মূর্তিটি দেখে সেলফি তোলার কাজে মেতে ওঠে তারা। কেউ মূর্তিটিকে জড়িয়ে ধরে, কেউ বা পাশে দাঁড়িয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার জন্য ছবি তুলছিল। সেলফি তোলার সময় ঘটলো বিপত্তি।
এই সময় মূর্তিটি পড়ে গিয়ে চুরমার হয়ে যায় বলে ওই ভিলার ম্যানেজার ব্রুনো গোলফেরিনি জানিয়েছেন। মহামূল্যবান মূর্তিটির ভেঙে পড়ার ছবিও জার্মান পর্যটকদের মধ্যে কেউ কেউ নিজেদের ক্যামেরায় বন্দি করে রাখে।
.png)
জানা গেছে, ইতালীয় শিল্পি এনরিকো বুট্টির তৈরি মূর্তিটির নাম ডোমিনা। প্রায় ১.৭০ মিটার লম্ব সেটি। জার্মান পর্যটক দলের দুই জন মূর্তিটিকে জড়িয়ে ধরতে গেলে, মূর্তিটি ভেঙে যায়।
সেই সময় একজন মূ্র্তিটিকে লাঠির খোঁচা দেয় বলেও অভিযোগ করেছেন ভিলার ম্যানেজার। এরপরেই মূর্তির ক্ষতিপূরণ দেয়ার জন্য জার্মান পর্যটকদের জানান তিনি। তবে সেই টাকা দিতে অস্বীকার করে তারা। মূর্তিটি বালির তৈরি বলে দাবি করা হয়। আর তা মেরামতের জন্য ন্যূনতম ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি হয় দলটি।
ভিলার ম্যানেজার ব্রুনো গোলফেরিনি জানিয়েছেন, জার্মান পর্যটক দলটিতে ১৭ জন সদস্য ছিল। প্রাচীন মূর্তি ভাঙার সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকার করলে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। দায়ের করা অভিযোগে প্রয়োজনীয় মেরামতের জন্য সম্পূর্ণ টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে দাবি করেছেন ভিলার ম্যানেজার।
তিনি বলেন যে শিল্পকলার যে ক্ষতি হয়েছে, তা পুনরুদ্ধারের জন্য সূক্ষ্মভাবে কাজ করতে হবে। মূর্তিটিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা আদৌও সম্ভব কিনা, তা নিয়ে অবশ্য ব্রুনো আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। জার্মান পর্যটকদের থেকে আদৌও ক্ষতিপূরণের অর্থ আদায় করা যাবে কিনা, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে সংশয়। কারণ, অভিযুক্তরা ইতিমধ্যে ইতালি ত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে।