শনিবার (১৯ আগস্ট) রাতে এই ঘটনা ঘটেছে দেশটির উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাগদায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ঘটনার পর থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন অভিযুক্ত। মরদেহটি উদ্ধার করে পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য।
.png)
বাগদার হেলেঞ্চা পঞ্চায়েতের মণ্ডবঘটা গ্রামের বাসিন্দা অরিন্দম বালা। বছর আটাশের ওই যুবক পেশায় চিকিৎসক। অরিন্দম পিজিতে এমডি পাঠরত।
তার পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর দু’য়েক আগে নীলগঞ্জের রত্নতমা দে (২৫) নামে এক তরুণীর সঙ্গে বিয়ে হয় তার।
অরিন্দমের পরিবার এবং প্রতিবেশীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, বিয়ের পর থেকে তাদের মধ্যে বনিবনা ছিল না। প্রায়ই দু’জনের মধ্যে অশান্তি হত। এর ফলে মাস আষ্টেক আগে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন রত্নতমা। শনিবার রাতে অরিন্দম রত্নতমাকে বাড়িতে নিয়ে এসেছিলেন। অরিন্দমের বাবা বিবেকানন্দ বালা এবং ভাই অনির্বাণ বালাকে খেতে বলে তারা দোতলায় চলে যান। রোববার সকালে অরিন্দম দোতলা থেকে নেমে এসে বাবা এবং ভাইকে জানান যে, তিনি তার স্ত্রীকে খুন করেছেন।
অনির্বাণ বলেন, দু’বছর হল ওদের বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু ভাবী আট মাস হল এখানে থাকে না। সকালে বড়ভাই দোতলা থেকে নেমে এসে বলে, ‘একটা খারাপ কাজ করে ফেলেছি। তোর ভাবীর গলায় ছুরি মেরেছি।’ ভাবী এখানে থাকলে গন্ডগোল হত। তবে এমন ঘটনা কখনও ঘটেনি।
এ ঘটনার পর অরিন্দম বাগদা থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশও। মরদেহ উদ্ধার করে পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য। রুজু হয়েছে খুনের মামলা।
রত্নতমা হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক। অরিন্দমের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তার পর তারা বিয়ে করেছিলেন।
অরিন্দমের বাবা বিবেকানন্দ বলেন, ‘আমরা ভোরে জানতে পেরেছি। বড়ছেলে নীচে এসে জানায় যে, ছুরি দিয়ে রত্নতমাকে খুন করেছে। বৌমা ছেলের উপর অত্যাচার করত। মেরে খাট থেকে ফেলে দিত। ছেলে কাঁদত আমার কাছে।’
সূত্র: আনন্দবাজার