বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী নেচার কমিউনিকেশনের বরাতে সায়েন্টিফিক আমেরিকানে মঙ্গলবার প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে এ দাবি করেন তারা।
সেখানে বলা হয়, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, উত্তর আমেরিকাসহ তিনটি মহাদেশ এবং ভারতীয় উপমহাদেশ নিয়ে গঠিত সুপারকন্টিনেন্ট বা অতিমহাদেশ যখন ভেঙে যায় তখন ভূগর্ভ ভয়াবহভাবে আন্দোলিত হয়েছিল। এর ফলে আর্গিল খনিতে যেসব অমূল্যরত্ন পাওয়া যাচ্ছে সেগুলো ভূপৃষ্ঠের কাছে উঠে আসে।
.png)
আর্গিল খনি এলাকাটি আকারে কমপক্ষে ৯৪টি ফুটবল মাঠের সমান। বিশ্বের ৯০ শতাংশেরও বেশি গোলাপি হীরার উৎস এই খনি। প্রায় ১৩-ক্যারেটের মহামূল্যবান পিংক জুবিলি নামের হীরাটি এই খনিতে পাওয়া যায়।
গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়, আর্গিলের সবচেয়ে উজ্জ্বল হীরার গোলাপি আভা এসেছে যখন ভূপৃষ্ঠের গভীরে সেগুলো চরম বিপর্যয়কর পরিস্থিতিতে ছিল।
পার্থের কার্টিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতাত্ত্বিক এবং নতুন এই গবেষণার প্রধান হুগো অলিরুক বলেন, এই হীরা শুরুতে বর্ণহীন থাকে। কিন্তু মহাদেশীয় সংঘর্ষে এবং তীব্র টেকটোনিক চাপের ফলে স্বচ্চ এসব শিলার গঠন কাঠামোতে পরিবর্তন আসে। এরপর উজ্জ্বল এই রঙগুলো উম্মোচিত হয়। হীরকখণ্ডগুলো যত বেশি চাপে থাকে ততই এদের গোলাপি আভা স্পষ্ট হতে থাকে।
সূত্র: সায়েন্টিফিক আমেরিকান