প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রথম দিনে ২০টি ট্রাককে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে। সীমান্তটি কেবল খোলা হয়েছে ত্রাণসামগ্রী সরবরাহের জন্য। শরণার্থীরা এই সীমান্ত ব্যবহার করতে পারবেন না।
হামাসের সংবাদমাধ্যম শাখার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আজকে যে ত্রাণবাহী ট্রাকগুলো প্রবেশ করছে তার মধ্যে রয়েছে ওষুধ, চিকিৎসা সামগ্রী ও সীমিত পরিমাণে খাদ্যসামগ্রী।
.png)
সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজায় প্রবেশ করা ত্রাণবাহী ২০টি ট্রাকে খাদ্য, পানি ও ওষুধ থাকলেও কোনো জ্বালানি যাচ্ছে না।
এদিকে গাজার হাসপাতালগুলোতে জেনারেটর, অ্যাম্বুলেন্স ও ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্টের জন্য জ্বালানি প্রয়োজন। না হলে হাজার হাজার রোগীর জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়বে বলে জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার কার্যালয় জানিয়েছে।
এর আগে, মিশর বলেছিল পাঠানো ত্রাণসামগ্রী যেন শুধুমাত্র ফিলিস্তিনের বেসামরিক নাগরিকদের জন্যই ব্যবহৃত হয়, তার নিশ্চয়তা করতে হবে।
মিশরের প্রেসিডেন্ট সিসি জানিয়েছিলেন, হামাস যোদ্ধারা ওই ত্রাণ ব্যবহার করলে এর পর আর কোনও মানবিক সাহায্য গাজায় পৌঁছাতে দেওয়া হবে না।
জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার মতে, গত ১৪ দিনের সংঘর্ষে অন্তত ১০ লাখ গাজাবাসী বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। তাদের জন্য দৈনিক অন্তত ১০০ ট্রাক ত্রাণসামগ্রী প্রয়োজন।
মিশরের রাফাহ সীমান্ত ত্রাণের পণ্য নিয়ে শত শত ট্রাক কয়েক দিন ধরে অপেক্ষা করছে। ইসরায়েল ওই সীমান্তেও বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতদিন গাজায় কোনো ধরনের পণ্য ঢুকতে না দেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল ছিল ইসরায়েল। যদিও জাতিসংঘের পক্ষ থেকে গাজার শোচনীয় পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে সেখানে ত্রাণ পাঠানোর সুযোগ করে দেওয়ার অব্যাহত আহ্বান জানানো হচ্ছিল।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রিয়াসুস বলেছেন, মানবিক সহায়তা নিয়ে শত শত ট্রাক গাজায় যেতে প্রস্তুত।
গত ৭ অক্টোবর ভোরে ইসরায়েলের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে নজিরবিহীন হামলা চালিয়ে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল গাজা শাসনকারী ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস। এরপর নির্বিচারে গাজায় হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল।