ভিডিওর ক্যাপশনে আনন্দ মহিন্দ্র লিখেছেন, ‘শেখার কোনো বয়স নেই। আজকের দিনে তিনিই আমার নায়ক।’
ভিডিওতে দেখা গেছে, ঐ বয়োজ্যেষ্ঠ নারীকে প্যারাগ্লাইডিং করতে সাহায্য করছেন এক প্রশিক্ষক। ৫৫ সেকেন্ডের ভিডিওটি প্রথমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করে মহারাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ফ্লাইং রায়নো প্যারামটরিং। দিন পাঁচেক আগে প্রকাশিত ভিডিওর ক্যাপশনে প্রতিষ্ঠানটি লিখেছে, ৯৭ বছরের সাহস এবং ২০ বছরের অভিজ্ঞতা: ৯৭ বছর বয়সে ওড়ার চেষ্টা করা দাদির সাহসিকতাকে সালাম জানায় ফ্লাইং রায়নো প্যারামটরিং।
.png)
ভিডিও দেখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীরা ঐ বয়োজ্যেষ্ঠ নারীর বেশ প্রশংসা করেছেন। এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, বয়স যে শুধু একটি সংখ্যা, তা একজন বয়োজ্যেষ্ঠ অকুতোভয় নারীর প্যারাগ্লাইডিংয়ের মাধ্যমে আবারো প্রমাণিত হয়েছে।
আরেক ব্যবহারকারী লিখেছেন, তাকে টুপি খোলা অভিবাদন। জীবনকে পুরোপুরি উপভোগ করছেন তিনি।