ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

টানেলে আটকা শ্রমিকদের উদ্ধারে সেনাবাহিনী ডাকলো ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭:৪১, ২৬ নভেম্বর ২০২৩
টানেলে আটকা শ্রমিকদের উদ্ধারে সেনাবাহিনী ডাকলো ভারত
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের উত্তরাখন্ডের উত্তরকাশীর নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার কার্যক্রমে যোগ দিয়েছে ভারতের সেনাবাহিনী। উদ্ধারের কাজে ব্যবহার করা যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি অগার ড্রিলিং মেশিনটি বিকল হয়ে পড়ায় এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

রোববার (২৬ নভেম্বর) কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি

গত ১২ নভেম্বর ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ টানেলটিতে আটকা পড়েন ৪১ শ্রমিক। ১৫ দিন ধরে সেখানেই আটকে আছেন তারা। গত শুক্রবার উদ্ধারের কাজে ব্যবহার করা ড্রিল মেশিনটি অকেজো হয়ে পড়ে। যার ফলে আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধারের কাজ কার্যত মুখ থুবড়ে পড়ে।

Advertisement

সে সময় জানানো হয়, রোববার সুড়ঙ্গের ভেতর থেকে ড্রিল মেশিন বের করে আনা হবে। এরপর শুরু হবে শ্রমিক দিয়ে ড্রিলিং। তবে রোববার সেনাবাহিনীর সদস্যরা এ কাজে যোগ দিয়েছেন।

এর আগে কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দিয়েছিল বৃহস্পতিবার গভীর রাত কিংবা শুক্রবারের মধ্যে শ্রমিকদের উদ্ধার করা হবে।

এনডিটিভি জানিয়েছে, হাত দিয়ে ড্রিলিংয়ে অংশ নেবেন সেনাবাহিনীর একাধিক সদস্য। একজন ড্রিলিং করা শেষে অপর একজন আবদ্ধ স্থানে ঢুকবেন। এবারে পর্যায়ক্রমে প্রায় ১৫ মিটার অংশ ড্রিল করা হবে।

এই কাজে অংশ নিতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর মাদ্রাস স্যাপার্স ইউনিটের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছে। মাদ্রাস স্যাপার্স সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পসের একটি দল।

১৫ দিন ধরে টানেলে আটকে থাকা শ্রমিকদের আরও একমাস অপেক্ষা করতে হতে পারে। তবে ভালো খবর হলো শ্রমিকরা সুস্থ আছেন। একটি সরু পাইপের মাধ্যমে তাদের অক্সিজেন, খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রি পাঠানো হচ্ছে।

ভারতের জাতীয় বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিএমএ) কর্মকর্তা লেফটেনেন্ট জেনারেল (অবঃ) সৈয়দ আতা হাসনাইন সবাইকে ধৈর্য্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘এই উদ্ধার অভিযান সম্পন্ন হতে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে। যখন আপনি পাহাড়ে কাজ করেন, আগে থেকে কোনো কিছু আন্দাজ করা যায় না। আমরা কখনো অভিযান শেষ করার কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা দেইনি।’

যারা হাত দিয়ে ড্রিলিংয়ের কাজটি করবেন তাদের নিরাপত্তার জন্য একটি সুরক্ষা ছাতা স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থলে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৪১টি অ্যাম্বুলেন্স। এছাড়া অক্সিজেন সুবিধাসম্বলিত ৪১ বেডের একটি হাসপাতালও প্রস্তুত করা হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/মাহাদী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!