নিহত শিশুর মা কোমল জানায়, কন্যা সন্তান জন্মের পর থেকেই শাশুড়ি তার ও শিশুর প্রতি খুবই রেগে ছিল। কারণ তিনি আশা করেছিলেন একটি পুত্র সন্তান জন্ম নিবে। এরপর থেকে নানা কারণে সন্তান ও কোমলকে নির্যাতন করতেন শাশুড়ি। এরপর মঙ্গলবার কোমল রান্নাঘরে খাবার তৈরি করতে গেলে তার শ্বশুর ও শাশুড়ি নিজ নাতনীকেই শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে তারা দুজন মিলে শিশুটির মৃতদেহ বাড়ি থেকে আধা কিলোমিটার দূরে কবর দিয়ে দেন।
কোমল সারাদিন তার বাচ্চাকে সারাদিন খুঁজে না পেয়ে অবশেষে স্থানীয় থানায় নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করে। পুলিশ ২৪ ঘণ্টা পরে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।
.png)
স্থানীয় থানার ইনচার্জ অলোক কুমার জানান, শিশুটির মায়ের বক্তব্যের ভিত্তিতে মামলার এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্ত দাদা, দাদীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে উভয়কে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর চেষ্টা চলছে।