সংবাদমাধ্যম এআরওয়াই নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়, টিকটকের জন্য ভিডিও বানানোর সময় সাবা আফজাল ও মারিয়া আফজালের মধ্যে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে ১৪ বছর বয়সী সাবা আফজাল তার বোনকে গুলি করে হত্যা করে। এ ঘটনায় ওই কিশোরীর বিরুদ্ধে সাদ্দার থানায় মামলা করা হয়েছে।
এর আগে, চলতি মাসেই পাকিস্তানের শেইখুপুরাতে টিকটকের জন্য ভিডিও ধারণ করার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান তিন যুবক। সম্প্রতি টিকটককে বর্তমান যুগের সবচেয়ে বড় প্রলোভন আখ্যা দিয়ে ‘অবৈধ’ ও ‘হারাম’ বলে ফতোয়া দিয়েছে পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের রাজধানী করাচির বিখ্যাত ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জামিয়া বিন্নুরিয়া।
.png)
সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমান সময়ে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ফিতনার (বিশৃঙ্খলা বা প্রলোভন) ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি তৈরি করছে টিকটক। তাই ইসলামি শরিয়া মোতাবেক, টিকটকের ব্যবহারকে ‘অবৈধ’ ও ‘হারাম’ বলা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের পেছনে দশটি কারণ উল্লেখ করে ফতোয়াটি দিয়েছে পাকিস্তানের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তার মধ্যে রয়েছে—এই অ্যাপে ছবি এবং ভিডিও প্রদর্শন করা হয় যা ইসলামি শরিয়া অনুসারে নিষিদ্ধ।