ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন সাংবাদিককে যা বললেন পুতিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫:৫০, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন সাংবাদিককে যা বললেন পুতিন
টাকার কার্লসন ও ভ্লাদিমির পুতিন - ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের সাংবাদিক টাকার কার্লসনকে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে এক সাক্ষাৎকার দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

সেখানে তিনি বলেছেন, রাশিয়া তাদের লক্ষ্য অর্জনে 'শেষ পর্যন্ত' যুদ্ধ চালিয়ে যাবে, কিন্তু পোল্যান্ড বা লাটভিয়ার মতো অন্য কোনো দেশে হামলা চালাতে তার দেশ আগ্রহী নয়।

বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) আলোচিত সেই সাক্ষাৎকারে টাকার কার্লসন পুতিনকে প্রশ্ন করেন, ন্যাটোর সদস্য রাষ্ট্র পোল্যান্ডে রাশিয়ার সেনা পাঠানোর চিন্তা তিনি করেন কি না। এর জবাবে পুতিন বলেন, যদি পোল্যান্ড রাশিয়া আক্রমণ করে তবেই এমনটা হতে পারে। আমরা কেন পোলান্ড আক্রমণ করতে যাব। এতে আমাদের কোনো আগ্রহ নেই।

Advertisement

সাক্ষাৎকারে পুতিন অভিযোগ করেন, ২০২২ এর এপ্রিলে সহিংসতা বন্ধের চুক্তিতে সম্মতি দেওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল ইউক্রেন। কিন্তু রুশ সেনাবাহিনী কিয়েভ ছেড়ে চলে যাওয়ার পর তারা চুক্তি থেকে পিঠটান দেয়। এখন তারা ভাবছে, কীভাবে সেই আগের পরিস্থিতিতে ফিরে যাওয়া যায়। আমরাও এর বিপক্ষে নেই। বিষয়টা খুব হাস্যকর হবে যদি এই অন্তহীন সেনা নিয়োগ, আতঙ্কজনক পরিস্থিতি ও নানা অভ্যন্তরীণ সমস্যার মধ্যে থেকেও ইউক্রেন সমঝোতার পথ বেছে না নেয়।

রুশ আগ্রাসন শুরুর পর থেকে ওয়াশিংটন এখন পর্যন্ত ইউক্রেনকে ১১ হাজার কোটি ডলার সহায়তা দিয়েছে। দেশটি পরিষ্কার করেছে, পুতিনের দেওয়া শর্ত নিয়ে আলোচনায় তারা আগ্রহী নয়।

মার্কিন সিনেটে ইউক্রেনের জন্য ছয় হাজার ১০০ কোটি ডলার তহবিলের একটি বিল পাস হয়েছে। তবে এটা সম্ভবত হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস এর অনুমোদন পাবে না। হাউজে রিপাবলিকান পার্টি সংখ্যাগরিষ্ঠ, যাদের নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনকে আরও সহায়তা পাঠানোর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

ধারণা করা হচ্ছে, ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে পশ্চিমা অনেক সংবাদমাধ্যমে ‘একপেশে’ প্রতিবেদন প্রকাশিত হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে রাশিয়ার মনোভাব স্পষ্ট করতে পুতিন কার্লসনকে সাক্ষাৎকার দিতে রাজি হতে পারেন। কারণ ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে ফক্স নিউজের সাবেক উপস্থাপক টাকার কার্লসনের দৃষ্টিভঙ্গিও অনেকটা ভিন্ন। কার্লসনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্পর্কও ঘনিষ্ঠ। ট্রাম্পও ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ চান। তবে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এই যুদ্ধে ইউক্রেনকে জোরালো সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/মাহাদী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!