সামুদ্রিক কচ্ছপের মাংসকে জাঞ্জিবারে একটি উপাদেয় খাবার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু এটি ক্রমাগত খাওয়ার ফলে ‘চেলোনিটক্সিজম’ এক ধরনের বিষক্রিয়া তৈরি করে। চিকিৎসকেরা বলছে, ওই বিষক্রিয়া থেকেই তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
মকোয়ানি জেলা মেডিকেল অফিসার ডা. হাজি বাকারি জানান, ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, নিহতরা সবাই সামুদ্রিক কচ্ছপের মাংস খেয়েছিলেন।
.png)
তিনি জানান, মৃতদের মধ্যে একজন প্রাপ্ত বয়ষ্ক নারী ছিলেন যিনি একজন শিশুর মা। তিনি গত শুক্রবার মারা গেছেন। তবে তার আগে গত মঙ্গলবার তিনি কচ্ছপের মাংস খেয়েছিলেন।
তানজানিয়ার আধা-স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল জাঞ্জিবার। জাঞ্জিবারের কর্তৃপক্ষ, এলাকাটিতে সচেতনতা বাড়াতে একটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দল পাঠিয়েছে এবং দ্বীপের মানুষকে সামুদ্রিক কচ্ছপ খাওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
এর আগে ২০২১ সালের নভেম্বরে পেম্বাতেই কচ্ছপের মাংস খেয়ে তিন বছর বয়সী শিশুসহ সাতজন মারা গিয়েছিলেন এবং অন্য তিনজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।