যেসব ডাটা ফাঁস হয়েছে তার বেশির ভাগই ২০১৯ বা তার আগের। এর সঙ্গে যুক্ত ৭৬ লাখ গ্রাহক। আরো আছে ৬ কোটি ৫৪ লাখ একাউন্ট হোল্ডার। নতুন তথ্য ফাঁসের বিষয়ে নিউ ইয়র্কের প্রসিকিউটররা তদন্ত শুরু করেছেন।
কিভাবে এই ডাটা ফাঁস হয়েছে তা শনাক্ত করতে পারেনি এটিএন্ডটি। তথ্য অনুসন্ধানের জন্য তারা সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের ডেকেছে। কোম্পানি বলেছে, এরই মধ্যে তারা কাস্টমারদের পাসকোড পরিবর্তন করেছে। তবু গ্রাহকদের একাউন্টে একটিভিটি এবং ক্রেডিট রিপোর্টের দিকে নজর রাখার অনুরোধ করেছে।
.png)
কোম্পানি জানিয়েছে, এসব ডাটা তাদের নিজস্ব সিস্টেম থেকে ছড়িয়ে পড়েছে নাকি তৃতীয় কোনো পক্ষের মাধ্যমে এটা হয়েছে- তা শনাক্ত করা যায়নি।
উল্লেখ্য, এটিএন্ডটির ওয়্যারলেস ৫জি নেটওয়ার্ক যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রায় ২৯ কোটি মানুষকে সেবা দিয়ে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বৃহৎ মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবাদানকারী কোম্পানিগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। গত ফেব্রুয়ারিতে ক্ষতিগ্রস্ত হন লাখো ফোন ব্যবহারকারী। এ জন্য গ্রাহকদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে ক্ষতিগ্রস্তদেরকে ৫ ডলার করে ক্রেডিট দেয়ার ঘোষণা দেয় কোম্পানি।