শনিবার (১৮ মে) দেশটির কর্তৃপক্ষ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
পুলিশের মুখপাত্র আব্দুল রহমান বাদরি বলেছেন, ‘বন্যায় ঘোর প্রদেশে অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছে। হতাহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। বেশকিছু দিনে ধরে যে ভয়াবহ বন্যাগুলো হয়েছে তাতে হাজার হাজার গবাদিপশু মারা গেছে। শত শত হেক্টর কৃষিজমি, শত শত সেতু, কালভার্ট ও হাজার হাজার গাছ ধ্বংস হয়েছে।’
.png)
ঘোর প্রদেশের গভর্নরের মুখপাত্র আব্দুল ওয়াহিদ হামাস বলেছেন, ‘প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুসারে, কয়েক ডজন মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছে।’
ঘোরের তথ্য বিভাগের প্রধান মাওলাউই আব্দুল হাই জাইম বলেছেন, ‘শুক্রবার (১৭ মে) বৃষ্টি ও বন্যা শুরু হয়েছে। প্রবল বর্ষণে কতজন আহত হয়েছে তার সঠিক পরিসংখ্যান এখনও জানা যায়নি।’
তিনি জানিয়েছেন, প্রদেশটির রাজধানী ফিরোজ কোহতে ২ হাজার বাড়ি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে। আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরো ৪ হাজার বসতি। ২ হাজারেরও বেশি দোকান পানিতে তলিয়ে গেছে।
গত সপ্তাহে, তালেবানের শরণার্থীবিষয়ক মন্ত্রণালয় বলেছিল, আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলে বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩১৫ জনে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু শুক্রবার নতুন করে হওয়া বন্যার ফলে দেশটিতে বন্যায় মোট নিহতের সংখ্যা ৩৬৫ জনে এসে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছে ১ হাজার ৬০০ জনেরও বেশি।
আফগানিস্তান একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ দেশ। জাতিসংঘ আফগানিস্তানকে জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে একটি বলে বিবেচনা করে।
সূত্র: আল-জাজিরা