এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি আসলে কী বোঝাতে চেয়েছেন তা স্পষ্ট নয়। তবে এমন এক সময়ে তিনি এই বক্তব্য দিলেন যখন ট্রাম্পকে গণতন্ত্রের জন্য হুমকি বলে প্রচার চালাচ্ছে ডেমোক্র্যাটিক শিবির। তার এই বক্তব্যের পর ক্যাপিটল ভবনে হামলার প্রসঙ্গটিও ফের আলোচনায় এসেছে।
খ্রিস্টান গোষ্ঠী আয়োজিত অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, খ্রিস্টানরা, বেরিয়ে আসুন এবং এইবারের মতো ভোট দিন। আপনাদের আর ভোট দিতে হবে না। আমার প্রিয় খ্রিস্টান বন্ধুরা, আগামী চার বছরে সব ঠিক করা হবে, আপনাকে আর ভোট দিতে হবে না।
.png)
তিনি আরো বলেন, আমি আপনাদের ভালোবাসি। আমি একজন খ্রিস্টান। আপনাদের বের হতে হবে এবং ভোট দিতে হবে।
এই বক্তব্যের মাধ্যমে ট্রাম্প আসলে কি বোঝাতে চেয়েছেন, সেটা জানার জন্য তার মুখপাত্র স্টিভেন চিউংয়ের সাথে যোগাযোগ করে সংবাদমাধ্যম রয়টার্স। তবে তিনিও ট্রাম্পের বক্তব্য নিয়ে পরিষ্কার করে কিছু বলতে পারেননি।
তিনি শুধু বলেন, ট্রাম্প তার দেশের জন্য এবং দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চায়। সম্প্রতি তার ওপর যে হামলা হয়েছে, এমন ঘটনা যাতে আর কখনোই না ঘটে তার জন্যও কাজ করবেন তিনি।
এর আগে গত মাসেও খ্রিস্টানদের প্রতি আগামী নভেম্বরে তার পক্ষে গণভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প। শুধু তা-ই নয়, তিনি নির্বাচিত হলে তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতাকে ‘কঠোরভাবে’ সুরক্ষা করবেন বলে অঙ্গীকার করেন।
জুনে রক্ষণশীল অ্যাডভোকেসি গ্রুপ ফেইথ অ্যান্ড ফ্রিডম কোয়ালিশনের ওয়াশিংটন কনফারেন্সে ট্রাম্প কয়েকশ সমর্থকের উদ্দেশে বলেন, ‘ইভানজেলিক্যালস এবং খ্রিস্টানরা যতটা ভোট দেয়া উচিত ততটা দেয় না। তারা প্রতি রোববার গির্জায় যায়, কিন্তু ভোট দেয় না।
ওই সভায় সমর্থকদের বলেন, আমরা আমাদের স্কুলে, সামরিক বাহিনীতে, সরকারে, আমাদের কর্মক্ষেত্রে, আমাদের হাসপাতালে ও আমাদের পাবলিক স্কয়ারে খ্রিস্টানদের রক্ষা করব।
মার্কিন জনসংখ্যার প্রায় ৬৮ শতাংশ খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বী। নির্বাচনী প্রচারাভিযানে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ভোটব্যাংক নিজের পক্ষে নিতেই কৌশলী অবস্থান নিয়েছেন ট্রাম্প।