শনিবার (১৭ আগস্ট) সকাল ৬টা থেকে রোববার সকাল ৬টা পর্যন্ত সব ধরনের নন-ইমারজেন্সি মেডিক্যাল সার্ভিস বন্ধ রাখা হবে। খুলবে না আউটডোর।
সংগঠন থেকে জানানো হয়েছে, জরুরি পরিষেবা ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় সবরকম পরিষেবা দেওয়া থেকে বিরত থাকবেন চিকিৎসকেরা। বুধবার রাতে আরজি কর হাসপাতালে হামলার ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার এক জরুরি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন।
.png)
এক বিবৃতিতে চিকিৎসক সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘সব প্রয়োজনীয় পরিষেবা চালু থাকবে। হতাহতের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু ওপিডির নিয়মিত কাজকর্ম হবে না এবং ইলেকটিভ সার্জারি (ঐচ্ছিক অস্ত্রোপচার, অর্থাৎ যেগুলি পরে করলেও অসুবিধা নেই) করা হবে না। যেখানে যেখানে আধুনিক মেডিসিনের ডাক্তাররা পরিষেবা দেন, সেসব সেক্টরে পরিষেবা প্রত্যাহার করা হবে। চিকিৎসকদের ন্যায়সঙ্গত কারণের সঙ্গে গোটা দেশের সহানুভূতি চাইছে আইএমএ।’
উল্লেখ্য, ৮ আগস্ট আরজি করে নাইট ডিউটিতে ছিলেন তরুণী চিকিৎসক। পরেরদিন রাতে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সেমিনার হল থেকে তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ সঞ্জয় রায় নামে এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেফতার করে। ১৩ আগস্ট কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে এই ঘটনার তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কর্মকর্তারা সঞ্জয় রায়কে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছেন। ঘটনার প্রতিবাদে উত্তাল ভারত। একটানা কর্মবিরতি জারি রেখেছেন রাজ্যের একাধিক হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সরা। দিল্লিসহ ভারতের নানা প্রান্তের চিকিৎসকেরাও প্রতিবাদে অংশ নেন।
সূত্র: রয়টার্স