শনিবার শ্রীলংকার ২২টি আসনের ১৩ হাজার ৪০০ ভোটকেন্দ্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট হয়। ১৭ মিলিয়ন ভোটারের মধ্যে প্রায় ৭৫ শতাংশ ভোট দিয়েছেন বলে দেশটির নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে। ২০২২ সালে গণঅভ্যুত্থানে গোতাবায়া রাজাপক্ষের সরকারের পতনের পর এই প্রথম দেশটিতে নির্বাচন হলো।
ভোট শেষ হওয়া পর শনিবার রাতে শ্রীলংকায় ৮ ঘণ্টার জন্য কারফিউ ঘোষণা করা হয়। রোববার চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
.png)
দিসানায়েক ন্যাশনাল পিপলস পাওয়ার (এনপিপি) নামের একটি জোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন। এই জোটে আছে মার্কসবাদী জনতা বিমুক্তি পেরেমুনা (জেভিপি) পার্টি। দলটি বেশ কঠোর রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপের নীতিকেই সাধারণভাবে সমর্থন করে থাকে। তারা কর কমানো, অধিকতর বদ্ধ বাজার অর্থনীতির সমর্থক।
পার্লামেন্টে জেভিপির আসন রয়েছে মাত্র তিনটি। তবে ৫৫ বছর বয়স্ক দিসানায়েক দুর্নীতিবিরোধী পদক্ষেপ এবং গরিবমুখী নীতির কথা বলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
তিনি নিজেকে পরিবর্তনের প্রার্থী হিসেবে প্রচার করেন। তিনি ক্ষমতায় এলে ৪৫ দিনের মধ্যে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আইন অনুযায়ী, একজন ভোটার তিন প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন। কোনও একজন প্রার্থী কমপক্ষে ৫০ শতাংশ বা এর চেয়ে বেশি ভোট পেলে, তাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে। আর কোনো প্রার্থী ৫০ শতাংশ ভোট না পেলে সবচেয়ে বেশি ভোট পাওয়া দুই প্রার্থীর মধ্যে দ্বিতীয় দফা (রান-অফ) ভোট হবে।
বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে জয় পাবেন এনপিপি নেতা দিসানায়েক।