এ সরকার ক্ষমতায় আসার আগে টাকার বিনিময়ে ভারতের কৃষকরা স্থানীয় কসাইখানায় তাদের গরুকে বিক্রি করে দিতে পারতো। কিন্তু এখন ক্ষমতায় থাকা ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সরকার গো-হত্যাবিরোধী কঠোর আইন পাস করায় এখন আর আগের মতো গরু বিক্রি করতে পারছে না কৃষকরা।
কাজেই পরিস্থিতি পুরোপুরি পাল্টে গেছে। মুসলমানদের মালিকানাধীন ছোট ছোট কসাইখানা সরকার বন্ধ ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি উগ্র ডানপন্থী গোরক্ষা বাহিনী গ্রামের পর গ্রাম পাহারা দিয়ে বেড়ায়। কাজেই কেউ গরু বিক্রি কিংবা জবাই করলে ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটছে। নরেন্দ্র মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই গরুর প্রতি দেশটিতে নতুন করে অনুরাগ শুরু হয়েছে।
.png)
গরু হত্যার দায়ে মুসলিম ও দলিতদের গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনাও ঘটছে ভারতে। ২০১৭ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দুই বছরে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদন বলছে, গরুর গোশত খাওয়া নিয়ে সহিংসতায় ১২ বছর বয়সী শিশুসহ অন্তত ১০ জন মুসলমানকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক হিসেবে তিয়াগি নিজেও গরুকে শ্রদ্ধা করেন। কিন্তু তিনি গরু নিয়ে বাড়াবাড়ির বিপক্ষে। তিয়াগি বলেন, এটি সত্যিই পাগলামি। বিজেপি খামারিদের চেয়েও গরুর কদর করে বেশি।
ভারতের ২৯টি রাজ্যের অন্তত ২০টিতে গরু জবাই করা নিষিদ্ধ। ২০১৭ সালের মার্চে উত্তরপ্রদেশের সরকার শত শত খসাইখানা অবৈধ আখ্যা দিয়ে নিষিদ্ধ করে দিয়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।
ডেইলি বাংলাদেশ//আরআই