বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি ঘোষণা দেয়, আসাদ সরকারের অর্ধ শতাব্দীর শাসনামলে বাস্তুচ্যুত বা কারাগারে বন্দি সিরিয়ানরা এখন ঘরে ফিরতে পারবেন।
এটি হবে একটি ‘নতুন সিরিয়া’, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবে এবং ন্যায়বিচারের জয় হবে”, জানায় এইচটিএস।
.png)
বাশার আল-আসাদের পালানোর খবর শোনার পরই উদযাপন শুরু করেন বিদ্রোহীরা।
এর আগে রোববার ভোরে বিমানে করে পালিয়ে যান সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ।
হোমস শহর দখলের পর বিদ্রোহীরা রাজধানী দামেস্কে ঢুকতে শুরু করতেই বিমানে করে অজানা গন্তব্যের উদ্দেশে উড়াল দেন তিনি।
যুদ্ধ পর্যবেক্ষক সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস (এসওএইচআর) জানিয়েছে, দামেস্ক বিমানবন্দর থেকে একটি ব্যক্তিগত বিমান উড্ডয়ন করে। সম্ভবত বাশার আল-আসাদ ওই বিমানে করেই পালিয়েছেন। বিমানবন্দরে সরকারি বাহিনীর সদস্যরা বিদায় জানানোর পর সেটি উড্ডয়ন করে।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, হোমস শহর নিয়ন্ত্রণের নেয়ার পর কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই রাজধানী দামেস্কে ঢুকতে শুরু করেন বিদ্রোহী যোদ্ধারা।