তাসনিমের এই পর্যালোচনায় ইসরায়েলের বিভিন্ন কবরস্থানের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে হার হামেনুচট, ইয়ারকন, হোলন, সেগুলা, কিরিয়াত শাউল, হার হাজেইতিম, হাইফা, নাহালাত ইৎজহাক, রেহোভট ও আশদোদ কবরস্থান।
এছাড়া তেল আবিব, জেরুজালেম, হাইফা, পেতাহ তিকভা ও রিশন লেজিয়নের দাফন সংস্থা চেভরা কাদিশা এবং উদ্ধারকারী সংস্থা জাকা (ডিজাস্টার ভিকটিম আইডেন্টিফিকেশন টিম)-এর কার্যক্রমের তথ্যও বিশ্লেষণে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
.png)
তাসনিমের তথ্য অনুযায়ী, স্বাভাবিক সময়ে ইসরায়েলে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৫০ জনের মৃত্যু ঘটে। তবে গত ২১ দিনে প্রতিদিন গড়ে অতিরিক্ত ৬১ জনের মৃত্যু যুক্ত হয়েছে, ফলে দৈনিক গড় দাফনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ২১১ জনে। এই হিসেবে ২১ দিনে মোট নিহতের সংখ্যা অন্তত ১ হাজার ২৮১ জন হতে পারে বলে তারা দাবি করেছে।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, জাকা দলের চলাচলের পরিসংখ্যানে ৭০৩টি ঘটনার উল্লেখ রয়েছে, যা শুধুমাত্র মৃতদেহ সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে। এই তথ্যও হতাহতের সংখ্যা বেশি হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
উল্লেখ্য, এই গণনায় সর্বশেষ আরাদ ও দিমোনা এলাকায় সংঘটিত হতাহতের ঘটনাগুলো এখনো অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি