কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, গত রাতে দেশটির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। একই সময়ে সৌদি আরব জানিয়েছে, সাম্প্রতিক হামলায় তাদের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পাম্পিং স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, এই হামলার ফলে প্রতিদিন প্রায় ৭ লাখ ব্যারেল জ্বালানি তেল পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি অন্যান্য হামলার কারণে দৈনিক প্রায় ৬ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উত্তোলনও কমে গেছে।
.png)
বিশ্লেষকদের মতে, এসব ঘটনা যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতিকে নতুন করে চাপে ফেলতে পারে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। এর মধ্যেই আগামীকাল পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ শান্তি আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
তবে এই আলোচনার আগে ইরান স্পষ্টভাবে কুয়েতে হামলার অভিযোগ নাকচ করেছে। তেহরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এ ধরনের হামলার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
এর আগে এ ধরনের হামলাকে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ওপর ইরানের চাপ প্রয়োগের কৌশল হিসেবে দেখা হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
সূত্র: এপি