আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বাজ্জি বলেন, ‘উভয় দেশের সাম্প্রতিক বৈঠকগুলোতে ইরাকের প্রধানমন্ত্রীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইরাকি তেলবাহী ট্যাংকারগুলোকে এই প্রণালী ব্যবহারের অনুমতি দিতে ইরানের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছিলেন।’
তিনি আরও বলেন, গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে ইরাক প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করত।বাজ্জির মতে, ইরান এই প্রণালীকে ব্যবহার করছে মূলত নিজেদের জোটকে শক্তিশালী করতে, প্রণালী নিয়ন্ত্রণের প্রধান শক্তি হিসেবে নিজেদের জাহির করতে এবং যেসব দেশ তাদের ভূখণ্ডে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি পরিচালনা করতে দেয় না (যেখান থেকে ইরানে হামলা চালানো হয়েছে), তাদের পুরস্কৃত করতে।
.png)
বাগদাদের নতুন সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করে বাজ্জি বলেন, ‘ইরাকের নতুন সরকার ওয়াশিংটন কিংবা তেহরান—কাউকেই অসন্তুষ্ট করতে চায় না। তারা অনেকক্ষেত্রেই মাঝখানে আটকা পড়েছে, কারণ তাদের কিছু পদক্ষেপ যেকোনো এক পক্ষকে ক্ষুব্ধ করতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, গত কয়েক মাসে ইরাক ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। বিশেষ করে ইরানপন্থী ইরাকি মিলিশিয়ারা যখন প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা চালায় এবং এর জবাবে সৌদি আরব ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর পাল্টা বিমান হামলা চালায়, তখন পরিস্থিতি আরও জটিল হয়।
মোহাম্মদ বাজ্জি মনে করেন, ‘বর্তমান এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তেহরান মূলত আঞ্চলিক উত্তেজনা কিছুটা প্রশমন করার চেষ্টা করছে।’