ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

[ আন্তর্জাতিক ]
সরকার গঠনে বিরোধীদের নতুন সমীকরণ

ফের প্রধানমন্ত্রী হতে চান নেতানিয়াহু

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৩২, ৩ নভেম্বর ২০২৬
ফের প্রধানমন্ত্রী হতে চান নেতানিয়াহু
বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সংগৃহীত ছবি

ইসরাইলে নতুন সরকার গঠন নিয়ে রাজনৈতিক সমীকরণ ক্রমেই জটিল হয়ে উঠেছে। নির্বাচনে কোনো পক্ষই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় শুরু হয়েছে জোট গঠনের আলোচনা। এর মধ্যেই বৃহত্তর জাতীয় সরকার গঠনে আগ্রহ দেখিয়েছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে নতুন সরকারেও প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকতে চান তিনি।

সোমবার (২ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে নেতানিয়াহু জানান, তার দল লিকুদ পার্টি বর্তমান জোটের অংশীদারদের পাশাপাশি অন্য যেকোনো দলের সঙ্গে বৃহত্তর সরকার গঠনে আগ্রহী। তবে শর্ত হলো, সংশ্লিষ্ট দলকে সন্ত্রাসবাদে সমর্থন দেওয়া যাবে না।

এ বিষয়ে আলোচনায় বসতেও তিনি প্রস্তুত বলে জানান। নেতানিয়াহুর দাবি, ইসরাইলের জনগণ এমন কোনো সরকার চায় না, যেটি আরব দল রা’আম ও জয়েন্ট লিস্টের ওপর নির্ভরশীল।

তিনি আরও বলেন, প্রথম দিন থেকেই বৃহত্তর জাতীয় সরকার গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে তার দল। গত সপ্তাহের নির্বাচনের ফলাফলের প্রসঙ্গ টেনে নেতানিয়াহু দাবি করেন, ইহুদি জনগোষ্ঠীর স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ লিকুদ পার্টিকে বৃহত্তম দল হিসেবে এবং তাকেই পরবর্তী সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য বেছে নিয়েছে।

এদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের দল টুগেদার, ইয়ার গোলানের ডেমোক্র্যাটস এবং আভিগদর লিবারম্যানের ইসরাইল বেইতেনু পার্টি পরবর্তী সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের কাছে গাদি আইজেনকটের নাম সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বিরোধী দলগুলোর সমর্থনে আইজেনকটের পক্ষে রয়েছেন ৪৮ জন আইনপ্রণেতা। আরবভিত্তিক দুটি পার্লামেন্টারি দলও তার পক্ষে সুপারিশ করতে পারে। সেটি হলে ১২০ সদস্যের নেসেটে আইজেনকটের প্রতি সমর্থন জানানো আইনপ্রণেতার সংখ্যা বেড়ে ৬৭ হতে পারে।

গত সপ্তাহের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন। অন্যদিকে বিরোধী দলগুলো পেয়েছে ৪৮টি এবং আরব দলগুলো পেয়েছে ১৯টি আসন। ফলে কোনো পক্ষই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি।

তবে প্রেসিডেন্টের কাছে কোনো নেতার নাম সুপারিশ করলেই সরকার গঠন নিশ্চিত হয় না। আভিগদর লিবারম্যান জানিয়েছেন, আরব দলগুলোকে নিয়ে গঠিত কিংবা তাদের সংসদীয় সমর্থনের ওপর নির্ভরশীল কোনো সরকারে তিনি যোগ দেবেন না।

আগামী বুধবার থেকে পার্লামেন্টের বিভিন্ন দলের সঙ্গে দুই দিনের আলোচনা শুরু করবেন ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ। এসব আলোচনা শেষে তিনি পরবর্তী সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য একজন আইনপ্রণেতাকে মনোনীত করবেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!