সম্প্রতি ‘বাবা’ গানের মধ্য দিয়ে আবারো এসেছেন আলোচনায়। বর্তমান সময়ে তার কাজের ব্যস্ততা ও পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন ডেইলি-বাংলাদেশ-এর সঙ্গে। তার সাক্ষাতকার নিয়েছেন ইসমাইল উদ্দীন সাকিব।
বর্তমান ব্যস্ততা কাটছে কি নিয়ে?
তানভীর ইভান: গান নিয়েই ব্যস্ততা যাচ্ছে। ‘বাবা’ গানটি ২৯ জুলাই ইউটিউবে রিলিজ হবে, তারই অপেক্ষায় আছি। আশা করি সবার ভালো লাগবে। এছাড়াও আরো কিছু কাজ নিয়ে আলোচনা চলছে। এছাড়াও অনেক কাজের প্রস্তাব আসছে। বাকিটা সময় বলে দেবে।
.png)

ঈদ, ভালবাসা দিবস এই প্রোগ্রামগুলোতে যে গান মুক্তি দিচ্ছেন তাই দর্শকদের মাঝে সাড়া ফেলেছে ব্যাপক। এর রহস্য কি?
তানভীর ইভান: একটা ভাল কাজ করলে আরো ভাল কাজের চাহিদা বেড়ে যায় স্বাভাবিক। এর সঙ্গে প্রতিদিনই আমার দায়বদ্ধতার জায়গাটা বাড়ছে। সে হিসেবে আমিও সবসময় চেষ্টা করছি একটি কাজ থেকে অন্যটি আরো ভালোভাবে উপস্থাপন করতে। আমার জায়গা থেকে নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করেছি। আশা করি দর্শকরাও বর্তমানের মতো আগামীতে আমার গানগুলো আপন করে নেবে।
প্রেমের বাইরে গান গেয়ে এত সাড়া পাবেন ভেবেছেন কি?
তানভীর ইভান: পূর্বে আমার ‘মা’ শিরোনামের একটা গান ছিল। সেটাতেও খুব ভাল সাড়া পেয়েছিলাম। প্রেম, বিরহ নিয়েই আমার অধিকাংশ গান প্রকাশিত হয়েছে এটা সত্য। তবে ব্যক্তিগত জায়গা থেকে আমার নিজের উপর আত্মবিশ্বাস ছিল। অমি ভাইয়া ‘আপন’ নাটকের গল্পটা খুবই দারুণ, দর্শকরা এর খুব প্রশংসা করছে। বাবার প্রতি আমারও ভালবাসা আছে, সেই ভালবাসা থেকেই গানটা গাওয়া। এই গানটি আমি নিজের বাবাকে উৎসর্গ করেছি। এখন ইউটিউবে রিলিজ হওয়ার পর আরো ভাল করে বুঝতে পারব দর্শকটা কতটা গ্রহণ করেছে।

নাটকের জন্য গান ছাড়া অ্যালবাম নিয়ে কি ভাবছেন?
তানভীর ইভান: অ্যালবাম নিয়ে আপাতত কোন পরিকল্পনা নেই। নাটক, টেলিফিল্ম এবং আমার নিজের ইউটিউব চ্যানেলের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। গুণী নির্মাতারা কাছ থেকে গানের প্রস্তাব আসছে, উনাদের কাছ থেকে অনেক কিছুই শিখছি। এছাড়া, ইউটিউবে আমার ব্যক্তিগত চ্যানেলে গান আপলোড করি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে পরিণত মনে হলে অ্যালবামের জন্য কাজ করব।
৫ বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চান?
তানভীর ইভান: ভবিষ্যৎ নিয়ে আমার কোন পরিকল্পনা থাকে না। তবুও যদি বলতে হয় এটাই বলব; নিয়মিত ভাল কাজ করে যেতে চাই। ৫ বছর পর আপনার সঙ্গে যেন গান নিয়ে আবার কথা হয় সেটাই চাইব।
করোনা মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে কতটা প্রভাব ফেলল?
তানভীর ইভান: করোনার শত শত মানুষ চাকরি হারিয়েছে। সব কিছুই মত আমার মত গানের মানুষেরও উপরও এর প্রভাব পড়েছে। সামনে তিনটি কাজ আছে। সময়মত করতে পারছি না। তবুও এই লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যতটা পারা যায় সে চেষ্টাই করছি। তবে কনসার্ট করতে না পারায় আমি সবচেয়ে বেশি হতাশ। নিজের ভাল সময়ে দর্শকদের কাছাকাছি যেতে না পারাটাই এই করোনায় সবচেয়ে বড় আক্ষেপ।
সামনে কি কাজ আসছে?
তানভীর ইভান: ভারতীয় একটি কন্টেন্টের জন্য গান আসছে। খুব শীঘ্রই আপনারা জানতে পারবেন। এছাড়া আমাদের দেশের টেলিফিল্ম ও নাটকের জন্য বেশ কয়েকটি কাজ চলছে।