বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।
আদালতে আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন এস এম শাহজাহান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ।
.png)
বিশ্বজিৎ দেবনাথ সাংবাদিকদের জানান, কয়েকদিন নিখোঁজ থাকার পর ১৯৯৪ সালের ৩০ জুলাই সফুরা খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়। সেটিকেই ডায়িং ডিক্লারেশন ধরে এ মামলার বিচার সম্পন্ন করে বিচারিক আদালত।
এ মামলায় বাসেত ছাড়াও নিহতের দেবর সোহরাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন বিচারিক (নিম্ন) আদালত। ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার পর হাইকোর্ট সেই সাজা বহাল রাখেন।
পরে বাসেত লিভ টু আপিল করে জামিন চান। বৃহস্পতিবার আদালত তকে জামিন না দিয়ে আসামির বিলম্ব মার্জনা করে নিয়মিত আপিল করার নির্দেশ দেন।