বুধবার দুপুরে চট্টগ্রামের চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শরীফুল আলম ভূঁইয়ার আদালতে শুনানি সম্পন্ন হয়।
চট্টগ্রাম মহানগর আদালতের পিপি মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
.png)
তিনি বলেন, কোকেন জব্দের ঘটনায় চোরাচালান আইনে করা মামলায় ১০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ হয়েছে। আদালতে হাজির পাঁচ আসামিকে মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন করে আসামিপক্ষ। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে অব্যাহতির আবেদন নামঞ্জুর করে চার্জ গঠনের আবেদন করা হয়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদেশের জন্য ২ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করে আদালত। আলোচিত এ মামলার আরো পাঁচ আসামি পলাতক।
২০২০ সালের ২৫ জুন চট্টগ্রাম মূখ্য মহানগর হাকিম আদালতের প্রসিকিউশন শাখায় আলোচিত এ মামলার অভিযোগপত্র জমা দেয় মামলার তদন্তকারী সংস্থা র্যাব-৭।
মামলাটির আসামিরা হলেন- চট্টগ্রামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খান জাহান আলী লিমিটেডের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ, তার ভাই মোস্তাক আহম্মদ, খান জাহান আলী লিমিটেডের কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা সোহেল, মোস্তফা কামাল, আইটি বিশেষজ্ঞ মেহেদী আলম, আতিকুর রহমান, কসকো বাংলাদেশ শিপিং লাইনস লিমিটেডের ব্যবস্থাপক (করপোরেট, বিক্রয় ও বিপণন) একেএম আজাদ, যুক্তরাজ্য প্রবাসী ফজলুর রহমান ও বকুল মিয়া এবং সিঅ্যান্ডএফ কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ৭ জুন চট্টগ্রাম বন্দরে একটি কনটেইনার জব্দের পর সিলগালা করে কর্তৃপক্ষ। পরে আদালতের নির্দেশে কনটেইনার খুলে ১০৭টি ড্রাম থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। প্রথমে বন্দরের পরীক্ষায় এসব নমুনায় কোকেনের উপস্থিতি না মেলায় ঢাকার বিসিএসআইআর ও বাংলাদেশ ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়। দুই পরীক্ষাগারেই নমুনায় তরল কোকেনের অস্তিত্ব ধরা পড়ে। এ ঘটনায় একই বছরের ২৮ জুন চট্টগ্রাম নগরীর বন্দর থানায় মাদক নিয়ন্ত্রণ ও চোরাচালান আইনে দুটি মামলা করে পুলিশ।