উত্তরখানে নাছির হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক ৬ ফেব্রুয়ারি
ঢাকার উত্তরখান থানার মাউসাইদ পূর্বপাড়ার সহকারী আনসার অ্যাডজুটেন্ট মো. নাছির উল্লাহ খান হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইবুনাল নং-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালত এ দিন ধার্য করেন।
সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আবু আব্দুল্লাহ ভূঁইয়া বিষয়টি জানিয়েছেন।
.png)
মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালের ৭ সেপ্টেম্বর রাত আড়াইটায় উত্তরখান থানার মাউসাইদ(পূর্বপাড়া) সহকারী আনসার অ্যাডজুটেন্ট মো. নাছির উল্লাহ খানের বসতবাড়ি ঘেরাও করে দুর্ধর্ষ ডাকাতদল। ডাকাতদল ঘরের বাইরে থেকে জানালা দিয়ে নাছির উল্লাহ খানকে গুলি করে গুরুতর আহত করে। এরপর ঘরের গেইটের তালা ও প্রধান দরজা ভেঙে ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে ডাকাতদল। এরপর নাছির উল্লাহ খান আহত অবস্থায় চিৎকার দিতে থাকলে তার স্ত্রী আবেদা সুলতানা ও মেয়ে নুসরাত জাহান বৃষ্টি রুমে আসে। তখন ডাকাতরা তাদেরও মারধর ও ভয়ভীতি দেখায়। এসময় ডাকাতরা আহত নাছির উল্লাহ খানকে পুনরায় ড্রয়িংরুমে গুলি করে ও ঘরের আলমারি ভেঙে নগদ চল্লিশ হাজার টাকা দু’টি মোবাইল সেট ও স্বর্ণালংকারসহ প্রায় দুই লাখ ৭১ হাজার টাকার মালামাল ডাকাতি করে।
মামলার সূত্রে আরো জানা যায়, গুরতর আহত নাছির উল্লাহ খানকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত নাছির উল্লাহ খানের ছোট ভাই মো. শামসুদ্দিন খান বাদী হয়ে উত্তরখান থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এরপর মামলার তদন্তকারী অফিসার তদন্তকালে আসামি শেখ আবুকে গ্রেফতার করে। একই সঙ্গে তার কাছ থেকে ডাকাতির মালামাল মোবাইল উদ্ধার করে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্তকালে আসামি রেজাউল করিম, মো. সালাম, শেখ আবু, রহমান খা ও আরব আলী হাওলাদার আদালতে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। মামলার তদন্তকারী অফিসার তদন্তকাজ শেষ করে ২০০৯ সালের ৩০ এপ্রিল আসামি মো. সালাম, শেখ আবু, রহমান খা, রেজাউল করিম হাওলাদার, আরব আলী হাওলাদার ওরফে ডাকাত আলী, নুরুল ইসলাম তালুকদার ওরফে নুরা তালুকদার ওরফে গরুচোর নুরা, গোলাম মোস্তফা ওরফে গোলাম মোস্তফা খা, রেজাউল বেপারী ওরফে রেজু বেপারী, লিটন হাওলাদার, মো. জালাল খা, মিজান মোল্লা, সহি সরদার, ইয়ামিন বেপারী, ফজলুল করিম সরকারের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত মামলায় মোট ২৩ জন সাক্ষীর জবানবন্দি ও জেরা রেকর্ড করেন।