বুধবার আদালতে ভাটারা থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার (নারী-শিশু) কর্মকর্তা এসআই রাফাত আরা সুলতানা এসব তথ্য জানিয়েছেন।
আসামিরা হলেন-এজাজ সাকলাইন এবং তার স্ত্রী তানজিমা হাসেম।
.png)
এর আগে, ৬ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার উপ-পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোহাম্মদ আলী সৈকত আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আসামিদের পক্ষে অ্যাডভোকেট সাজেদুল ইসলাম ভুঁইঞা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের রিমান্ডের আদেশ দেন।
এজাজ সাকলাইনের বাসায় গৃহকর্মী হিসবে কাজ করত লিজা আক্তার। এজাজ ও তার স্ত্রী লিজাকে মারপিট করতেন। গত বুধবার তারা লোহার খুন্তি গরম করে লিজার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছ্যাঁকা দেন। এতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে লিজা। শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে প্রতিবেশীরা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ৪ নম্বর রোডের ডি-ব্লকের ১৯৩ নম্বর বাসায় যায়। সেখানে লিজাকে বাথরুমে আটকে রাখা হয়েছিল। পুলিশ লিজাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে পাঠায়। সেখানে তার চিকিৎসা চলছে। এ ঘটনায় ভাটারা থানার উপ-পরিদর্শক হাসান মাসুদ মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় এজাজ সাকলাইন ও তানজিমা হাসেমকে গ্রেফতার দেখানো হয়।