একই সঙ্গে সহজের জরিমানা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে বাণিজ্য সচিব ও ভোক্তা অধিদফতরের সংশ্লিষ্টদের এর জবাব দিতে বলা হয়েছে। আর বিষয়টি ১৫ কার্যদিবস পর শুনানির জন্য রেখেছেন সর্বোচ্চ আদালত।
.png)
রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবির লিটনের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
ভোক্তা অধিদফতরের আইনজীবী ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হাইকোর্টের রুলের বিষয়ে জবাব দাখিল করবেন তারা।
সহজ ডটকমের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার তানজিব উল আলম। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট কাজী এরশাদুল আলম।
আর শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। ভোক্তা অধিদফতরের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল ও জর্জ চৌধুরী।
এর আগে সহজ ডটকম এবং রেল বিভাগের বিরুদ্ধে অনিয়মের বিষয়ে ভোক্তা অধিদফতরে অভিযোগ করেছিলেন মহিউদ্দিন রনি। সেই অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ায় ২০ জুলাই সহজকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করে ভোক্তা অধিদফতর।
এরপর ২৬ জুলাই এ জরিমানার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সহজ ডটকমের পক্ষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট করেন কাজী এরশাদুল আলম।