সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক শহিদুল ইসলামের আদালতে তারা সাক্ষ্য দেন। এ নিয়ে মামলাটিতে তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হল।
ঐ দুই সাক্ষী হলেন- দুদকের উপপরিচালক আলী আকবর ও দুদকের অবসরপ্রাপ্ত উপপরিচালক খায়রুল হুদা।
.png)
এদিন আসামি গোল্ডেন মনিরকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তার উপস্থিতিতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। দুই সাক্ষীর জবানবন্দি শেষ হলে আসামিপক্ষের আইনজীবী জেরা করেন। জেরা শেষ হলে আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, অবৈধভাবে অর্জিত এক কোটি ৬১ লাখ টাকা বৈধ করার জন্য মনির বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে দান নেয়ার দাবি করেছেন দুদকের কাছে। তবে তদন্তে ঐসব ব্যক্তি ভুয়া ও অস্তিত্বহীন প্রমাণিত হয়। আসামি মনির হোসেন বিভিন্ন সময়ে আয়কর নথিতে এক কোটি ৪৯ লাখ ৮৫ হাজার টাকার তথ্য দিলেও তার বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি।
দুদকের তদন্তে ২০০৯ সালের ১৮ জুন পর্যন্ত মনিরের নামে মোট তিন কোটি ১০ লাখ ৮৫ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদের সত্যতা পাওয়া গেছে।
২০১২ সালের ১৩ মার্চ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ দুদকের উপপরিচালক হারুনুর রশীদ বাদী হয়ে রমনা থানায় মামলা করেন।
তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ২ ফেব্রুয়ারি দুদকের উপপরিচালক মো. মোশারফ হোসেন মৃধা মামলার অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। এরপর ২০২১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর আদালত আসামির অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন।