জনস্বার্থে আনা এক রিটের শুনানি নিয়ে রোববার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দ সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
একই সঙ্গে অবৈধভাবে বালু ভরাট বন্ধে বিবাবীদের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না-তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুলও জারি করেছে আদালত। আদালতের রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মাহিন এন রহমান।
.png)
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, রূপগঞ্জ থানায় পূর্বাচল এলাকায় মেরিন সিটি আড়াই হাজার বিঘা জমি বালু ভরাট করছে অবৈধভাবে। এটিকে চ্যালেঞ্জ করে আমরা হাইকোর্টে রিট করি।
আদালত শুনানি নিয়ে আজ রুল জারি করেছেন এবং বালু ভরাটের ওপর তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। নারায়ণগঞ্জের ডিসি, রূপগঞ্জ থানার ওসিসহ সংশ্লিষ্টদের বালু ভরাট বন্ধ করতে বলেছেন। আর জেলা প্রশাসককে বিষয়টি তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।
এ আইনজীবী বলেন, প্রশাসনের নাকের ডগায় অবৈধভাবে বালু ভরাট করা হচ্ছে। হাজার হাজার মানুষ তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই কারণে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তাকে চ্যালেঞ্জ করে আমরা রিটটি দায়ের করি।
রূপগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা এ কে এম তমিজ উদ্দিন রাজসহ ১২ জন স্থানীয় বাসিন্দা এ রিট করেন।
ভূমি সচিব, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব, কৃষি সচিব, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব, পরিবেশ সচিব, পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি), রাজউক চেয়ারম্যান, নারায়ণগঞ্জের ডিসি, রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার, ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা, রূপগঞ্জ থানার ওসি ও মেরিন গ্রুপ অফ কোম্পানিকে রিটে রেসপনডেন্ট (বিবাদী) করা হয়েছে।