মঙ্গলবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দীন খানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার তানজীব উল আলম। আর ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল।
.png)
এর আগে, গত (৩১ জুলাই) ট্রেনের টিকিটের অব্যবস্থাপনা নিয়ে আন্দোলনকারী মহিউদ্দিন রনির অভিযোগে সহজ ডটকমকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছিল জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। সেই জরিমানার আদেশ দুই মাসের জন্যে স্থগিত করেছিলেন হাইকোর্ট। সেটি এবার আরো বাড়ানো হলো।
একই সঙ্গে সহজের জরিমানা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। দুই সপ্তাহের মধ্যে বাণিজ্য সচিব ও ভোক্তা অধিদফতরের সংশ্লিষ্টদের এর জবাব দিতে বলা হয়েছিল। আর বিষয়টি ১৫ কার্যদিবস পর শুনানির জন্য রেখেছিলেন সর্বোচ্চ আদালত। হাইকোর্টের বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবির লিটনের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আরো পড়ুন> একনেকে অনুমোদন পেল ৮ হাজার ৭৪৯ কোটি টাকার ৬ প্রকল্প
ঐ দিন ভোক্তা অধিদফতরের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল ও জর্জ চৌধুরী। আর সহজ ডটকমের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার তানজিব উল আলম। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট কাজী এরশাদুল আলম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।
সহজ ডটকম এবং রেল বিভাগের বিরুদ্ধে অনিয়মের বিষয়ে ভোক্তা অধিদফতরে অভিযোগ করেছিলেন মহিউদ্দিন রনি। সেই অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ায় ২০ জুলাই সহজকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করে ভোক্তা অধিদফতর।
এরপর ২৬ জুলাই এ জরিমানার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সহজ ডটকমের পক্ষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট করেন কাজী এরশাদুল আলম। রিটে জরিমানার আদেশ স্থগিতের পাশাপাশি তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না জানতে চেয়ে রুল জারির প্রার্থনা করা হয়েছিল।
গত ৭ জুলাই রেলের অব্যবস্থাপনা ও যাত্রী হয়রানির প্রতিবাদে ৬ দফা দাবিতে হাতে শিকল বেঁধে কমলাপুর স্টেশনে অবস্থান নেন মহিউদ্দিন রনি। টানা ১৯ দিন ধরে আন্দোলন করেন ঢাবির থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের চতুর্থ বর্ষের এ শিক্ষার্থী।
শুরুতে একা আন্দোলনে নামলেও পরে তার বন্ধু, সহপাঠীসহ আরো বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী তাতে অংশ নেন। এরপর এ আন্দোলনে সমর্থন দেন অনেকে। সবশেষ রেলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেন রনি।