বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম নিভানা খায়ের জেসীর আদালত এদিন ধার্য করেন। এদিন এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল। তবে তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার এসআই (নিরস্ত্র) মো. সোহেল রানা প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এজন্য আদালত নতুন দিন ধার্য করেন।
এর আগে, ১ সেপ্টেম্বর আল আমিনের স্ত্রী ইসরাত জাহান মিরপুর মডেল থানায় উপস্থিত হয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। পরদিন ২ সেপ্টেম্বর অভিযোগটি মামলা আকারে নথিভুক্ত হয়। একইদিন ঢাকা মহানগর হাকিম মেহেদী হাসান এ মামলার এজাহার গ্রহণ করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২১ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত।
.png)
২০১২ সালের ২৬ ডিসেম্বর ইসরাত জাহান ও আল-আমিন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের দুটি পুত্র সন্তান রয়েছে। বড় ছেলে মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজে পড়ছে। বেশ কিছুদিন যাবৎ আল-আমিন স্ত্রী ও সন্তানদের ভরণ-পোষণ প্রদান করেন না এবং খোঁজ না নিয়ে এড়িয়ে চলছেন।
গত ২৫ আগস্ট রাত সাড়ে ১০ টার দিকে আল আমিন বাসায় এসে স্ত্রীর কাছে যৌতুকের জন্য ২০ লাখ টাকা দাবি করেন। ইসরাত জাহান টাকা দিতে অস্বীকার করলে আল-আমিন তাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন এবং সংসার করবেন না বলে জানান। ইসরাত জাহান ৯৯৯-এ সাহায্য চাইলে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে। এরপর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন ইসরাত জাহান। ঐ ঘটনায় ১ সেপ্টেম্বর মিরপুর মডেল থানায় মামলাও হয়।
গত ৩ সেপ্টেম্বর আল-আমিন তার মায়ের মাধ্যমে জানান, ইসরাতের সঙ্গে সংসার করবে না এবং সন্তানদের ভরণ-পোষণ দেবেন না। প্রয়োজনে বাসা থেকে বের করে তালাক দিয়ে অন্যত্র বিয়ে করবেন।
মামলায় আরো বলা হয়, আল-আমিন দুই বছর ধরে স্ত্রী-সন্তানদের খোঁজখবর নেয় না এবং বাসায় নিয়মিত থাকেন না। এ কারণে ইসরাত তার দুই সন্তানসহ বসতবাড়িতে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করার অধিকারসহ মাসিক ভরণ-পোষণ দাবি করে মামলা করেন।
ইসরাত জাহান জীবন ধারণের জন্য ৪০ হাজার, দুই সন্তানের ভরণ-পোষণ ও ইংলিশ মিডিয়ামে লেখাপড়া বাবদ ৬০ হাজার টাকা দাবি করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।