স্ত্রীর মামলায় ক্রিকেটার আল আমিনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল
ক্রিকেটার আল আমিন হোসেনের বিরুদ্ধে স্ত্রীর করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পিছিয়ে আগামী ১৩ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত।
বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম আফনান সুমীর আদালত এদিন ধার্য করেন।
এদিন এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. সোহেল রানা প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এজন্য আদালত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের এ নতুন দিন ধার্য করেন।
.png)
এর আগে ১ সেপ্টেম্বর আল আমিনের স্ত্রী ইসরাত জাহান মিরপুর মডেল থানায় উপস্থিত হয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। পরদিন ২ সেপ্টেম্বর অভিযোগটি মামলা আকারে নথিভুক্ত করে মিরপুর মডেল থানা। একইদিন ঢাকা মহানগর হাকিম মেহেদী হাসান এ মামলার এজাহার গ্রহণ করেন। সেইসঙ্গে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২১ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১২ সালের ২৬ ডিসেম্বর পারিবারিকভাবে ক্রিকেটার মো. আল আমিন হোসেনের সঙ্গে ইসরাত জাহানের বিবাহ হয়। তাদের সাংসারিক জীবনে দুই সন্তান রয়েছে। বিবাহের পর থেকে এ পর্যন্ত ঘর সংসারকালে পারিবারিক বিষয় নিয়ে আল আমিন তার স্ত্রী ইসরাতের কাছে ফ্ল্যাটের মূল্য পরিশোধ বাবদ ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। ইসরাতের বৃদ্ধ বাবা দাবিকৃত যৌতুকের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে আল আমিন তাকে মারধর করে বাসা থেকে বের করে দেয়। বেশ কয়েকবার মারপিট করলে সে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নেন। কিন্তু দুই সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে পারিবারিকভাবে আপোষ মীমাংসা করে নেয়। এতেও আল আমিন শান্ত না হয়ে দিনের পর দিন তার ওপর অন্যায় অত্যাচারসহ শারীরিক নির্যাতন অব্যাহত রাখে।
মামলার অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়, ২৫ আগস্ট আল আমিন তার স্ত্রী ইসরাতের কাছে যৌতুকের দাবিকৃত টাকা নিয়ে তর্কতর্কি করেন। তার স্ত্রী টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাকে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষিসহ লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। এমনকি তার সাথে সংসার করবে না, তাকে তালাক দিব, মিথ্যা মামলায় হয়রানি করবে বলে জানায় আল আমিন। পরবর্তীতে ইসরাতের চাচা তাকে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করে। চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরলে আল আমিন তার সঙ্গে আগের মতো আচরণ করতে থাকে।