বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালত সাক্ষ্যগ্রহণ করে।
সাক্ষ্য প্রদানকারীরা হলেন- মো. আশরাফুল আলম ও গোলাম মোস্তফা।
.png)
ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।
এ নিয়ে মামলার মোট ৪২ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৬ জনের সাক্ষ্য শেষ হলো। আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২৯ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজাদ রহমান।
মামলার আসামিরা হলেন- মনজিলের সৎ মা লায়লা ইয়াসমিন লিপি, সৎ মামা আবু ইউসুফ নয়ন, সৎ ভাই একেএম ইয়াসিন হক, মামলার বাদী চাচা ফারুক মিয়া, রবিউল ইসলাম সিয়াম ও আবু ইউসুফ নয়ন। মাহফুজুল ইসলাম অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তার বিচার শিশু আদালতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
২০১৭ সালের ১১ ডিসেম্বর রাজধানী বাড্ডার আফতাবনগরে নিজ ফ্ল্যাটে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন মনজিল হক। হত্যাকাণ্ডের পর চাচা ফারুক মিয়া (৫৮) বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের নামে মামলা করেন। পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) তদন্তে উঠে আসে সম্পত্তির লোভে মনজিলকে সৎ মা লায়লা ইয়াসমিন লিপি, সৎ মামা আবু ইউসুফ নয়ন ও সৎ ভাই একেএম ইয়াসিন হক (২৫) ও মামলার বাদী চাচা ফারুক মিয়া (৫৮) হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা।
২০১৭ সালের ১১ ডিসেম্বর রাজধানীর বাড্ডা থানায় দায়ের করা এ মামলায় ২০২১ সালের ২৬ অক্টোবর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন সিআইডি পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. শামসুদ্দিন।